রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে ‘হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টার লি:’ কর্তৃপক্ষের আন্ধার রাতের ধান্ধা॥শেয়ার দেয়ার নামে কোটি কোটি টাকা আত্বসাতের অভিযোগ আগামী সপ্তাহেই হচ্ছে পুলিশের নতুন আরেকটি ইউনিট মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত ও অপতথ্য রোধে কার্যকর সাইবার আইন চান তথ্য উপদেষ্টা : ডা. জাহেদ উর রহমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন রবিবার ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিডির সাথে বিএমসিসিআই প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ পুলিশের কোন সদস্য ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত হলে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরে ১১ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ ৩০ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত: মাহদী আমিন নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৩০ ডাক্তার-নার্সকে শোকজ নেত্রকোনায় ভবন সংকট ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে উপজেলার সকল দাপ্তরিক কার্যক্রম

শিশুদের খতনার সময় অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া কি বিপজ্জনক হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৮৫ বার

খতনা করাতে গিয়ে মঙ্গলবার রাতে আহনাফ তাহমিদ নামে ১০ বছর বয়সী একটি শিশু মারা গেছে। ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, অনুমতি না নিয়েই ‘ফুল অ্যানেসথেসিয়া’ দেওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।
দেড় মাস আগে খতনা করাতে গিয়ে আয়ান আহমেদ নামে আরও একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছিল এবং তার পরিবারও একই অভিযোগ করেছিল।
বাংলাদেশে কোনো ধরনের অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া ছাড়াই যুগ যুগ ধরে হাজামরা (যিনি খতনা করান) এ কাজ করে আসছেন। তবে গত কয়েক দশকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দিয়ে সার্জারির মাধ্যমে খতনা করানোর চল বেশ বেড়েছে।
কিন্তু খতনা করানোর সময় অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া ঠিক কতটা জরুরি? দিলেও কখন সেটিতে বিপদ ঘটতে পারে?
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাবেক অ্যানেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞ ডা. শাহ আলম ভূঁইয়া বলেন, নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে শিশুর খতনা করানোর জন্য অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার দরকার রয়েছে।
‘কিন্তু কোন ক্ষেত্রে ঠিক কী ধরনের অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া দরকার, সেটি নির্ধারণ করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
ঠিকঠাক শারীরিক পরীক্ষা না করে ভুল সময়ে ভুল অ্যানেসথেসিয়া দিলে রোগীর জীবন সংকটাপন্ন হতে পারে বলেও জানিয়েছেন শাহ আলম ভূঁইয়া।
অ্যানেসথেসিয়ায় বিপদ কখন
একটা সময় ছিল যখন অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া ছাড়াই অস্ত্রোপচার করা হত। কিন্তু কালের পরিক্রমায় সেটি বদলে গেছে।
আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় মানব শরীরে ছোট-বড় যে কোনো ধরনের অস্ত্রোপচার করার আগে অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা।
অ্যানেসথেসিয়া দিলে শরীর বা তার কোনো অংশ অবশ হয়ে যায়, ফলে অস্ত্রোপচারের সময় রোগী কোনো ব্যথা অনুভব করেন না।
এতে নির্বিঘ্নে অস্ত্রোপচার করে ফেলা যায়’ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাবেক অ্যানেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞ ডা. শাহ আলম ভূঁইয়া।
অ্যানেসথেসিয়ার একাধিক ধরন রয়েছে। যেমন, শরীরের কোনও নির্দিষ্ট অংশে ছোট অস্ত্রোপচার করার সময় কেবল ওই অংশটিকেই অবশ করা হয়। এটি ‘লোকাল অ্যানেসথেসিয়া’ নামেই বেশি পরিচিত।
তবে বড় অস্ত্রোপচার করার আগে অনেক সময় পুরো শরীর অবশ করে ফেলা হয়। এসব ক্ষেত্রে রোগী তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় চলে যান এবং একটি নির্দিষ্ট সময় পর আবার জেগে ওঠেন।
ছোট-বড় যা-ই হোক, যে কোনো অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার আগে রক্ত, হৃদস্পন্দনের হার-সহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য জানতে রোগীর বেশ কিছু স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
মূলত রোগীর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে একটা ধারণা পেতে এসব পরীক্ষা করা হয়। কোন ধরনের অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া তার জন্য নিরাপদ হবে, এর মাধ্যমে সেটি বোঝা যায়,’ বলেন শাহ আলম ভূঁইয়া।
কাজেই কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই শরীরে অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগ করা হলে রোগীর জীবন সংকটাপন্ন, এমন কি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এ ছাড়া যাদের জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি-কাঁশি, শ্বাসকষ্ট, বক্ষব্যাধি বা হৃদযন্ত্রে ত্রুটি আছে, তাদের সে অবস্থায় অ্যানেসথেসিয়া না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই চিকিৎসক।
এ রকম ক্ষেত্রে অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া মোটেও নিরাপদ নয়। সে ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎকের পরামর্শ নিয়ে সেরে উঠে বা রোগ নিয়ন্ত্রণে রেখে পরবর্তীতে অস্ত্রোপচার করা যেতে পারে’, ডা. শাহ আলম ভূঁইয়া।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories