বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজধানীর মিরপুরের সড়কে শ্রমিক নেই, ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন: ডিএমপি যুগ্ম কমিশনার নীলফামারীর ডিমলায় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে পিটুনিতে মায়ের মৃত্যু, আটক- ৪ সাভারে শ্রমিকদের তাণ্ডব, সাংবাদিক-পুলিশসহ আহত-১০ বড়দিন উদযাপনে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী আধুনিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও নিরাপত্তায় অপরিহার্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিসেম্বরে চূড়ান্ত হবে পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামো দক্ষিণ এশিয়ায় ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে প্রথম সভা চলছে আজ থেকে টানা ৪ দিন কম থাকবে গ্যাসের চাপ দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

টঙ্গীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে ১০ মিনিটে উধাও ফুল

গাজীপুর প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৭৮ বার

গাজীপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যে উধাও হয়ে গেছে সব ফুল। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ৩৫ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে পুলিশ জানিয়েছে অনেকে ফুল দিয়ে ছবি তোলার পর ফুল নিয়ে গেছে।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ শুরু হয়।
সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা এবং বিভিন্ন দপ্তরের পাশাপাশি রাজনৈতিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। রাত প্রায় সাড়ে ১২টার পর আর কেউ ফুল দেয়নি। এরপর দশ মিনিটের মধ্যে শহীদ মিনারে ফুল শূন্য হয়ে যায়।
শহীদ মিনারে আনুষ্ঠানিক পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করার সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকারী একাধিক সংবাদকর্মী তাদের ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, টঙ্গীতে একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে মাদকসেবীদের দখলে ফুল শূন্য শহীদ মিনার।
একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অনেকে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ছবি তোলে যার যার ফুল সে সে নিয়ে গেছেন।
শহীদ মিনারের প্রধান ফটকের সামনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক দোকানি জানান, প্রতি বছরই এমন ঘটনা ঘটে। ফুল দেওয়ার আগে থেকেই মাদকসেবীদের আনাগোনা এই এলাকায় বেড়ে যায়।
ফুল দেওয়া শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুল নিয়ে কাড়াকাড়ি শুরু হয়। এটা নতুন নয়, প্রতিবারই এমন হয়।
শিল্পশহর টঙ্গীতে ১৯টি বস্তি রয়েছে। এসব বস্তির হয় মাদক ব্যবসা। রাজধানী ঢাকার বিমানবন্দর ও উত্তরাসহ বেশ কিছু এলাকা থেকে তুরাগ নদী পার হয়ে টঙ্গীর ভরান মাজার বস্তিসহ নদী পাড়ের বস্তিগুলোতে মাদক আসে।
এ সকল পয়েন্ট থেকে বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহ করে মাদককারবারীরা।
টঙ্গী রেলওয়ে জংশন, টঙ্গীর স্টেশন রোড, টঙ্গী বাজার, তুরাগ নদীর পাড়, মিলগেটসহ প্রায় সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দিনের বেলায় প্রকাশ্যে মাদক সেবন করতে দেখা যায়। মাদক সেবন করে রাস্তার পাশে, ফুটপাত ও সড়ক বিভাজকে মাদকসেবীদের শুয়ে থাকার দৃশ্য টঙ্গীতে নিত্যকার ঘটনা।
এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান জানান, রাত আড়াইটা পর্যন্ত আমাদের ডিউটি ছিল। তখন পর্যন্ত কোনো মাদকসেবী ঢুকেনি। তবে অনেকে ফুল দিয়ে ছবি তোলে ফুল নিয়ে গেছেন ।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories