পথচারী—-
নন্দীনি তোর নন্দ কোথায়
আজ ভালোবাসা দিবস তৈরি বমিঘর,
রাত পোহালে সন্তান গর্ভে
আর-একটু সময় ধর্য্য ধর।
নন্দীনি—-
তোমরা সবাই কিযে বলো
রুপ আছে তাই সেঁজেছি আজ,
যৌবনের রং লাগাতে চাই
তাতে কিসের শরম কিসের লাজ ?
নন্দরাজ—-
এইযে আমি আসছি চলে
চলো নন্দীনি, রিকশাযোগে পার্কে যাই,
বাগান বাড়ির নীবিড় কক্ষে
দুইজনে-আজ রসামৃত চুমু খাই।
নন্দীনি—-
তুমি ঠিক বলেছো প্রিয় আমার
চলো,রিকশায় চড়ে মন মজাই,
বাদাম কিংবা ঝাঁল চানাচুর
খেতে খেতে ভালোবাসার গন্তব্যে যাই।
রিকশাওয়ালা—-
কই যাইবেন-ভাই বোনেরা ?
আজ বললে আমার সুবিধে হয়,
জানেনতো আজ ভালোবাসা দিবস
ভাড়া কিন্তু কম নয় !
নন্দরাজ—-
আরে ভাই, চলেন দেখি
আজকে,সময় আমাদের খুবই কম
ভাড়া নাহয় বেশীই নিবেন
পিছনে তাকাবেন না-বলছি একদম।
বাগান বাড়ি ম্যানেজার—-
রুম লাগবে,কেমন রুম
এসি নাকি নন এসি ভাই ?
ভাড়া দিবেন দিননা পরে
একটা রুমই-আর খালি নাই ?
নন্দীনি—-
এইযে শুনুন, বলছিলাম কি-
আছে নাকি মানুষ জনের যায়ঝামেলা –
শয্যা ভরা গোলাপ পাপড়ি ?
তবেই হবে ভালোবাসার মিলন মেলা।
বাগান বাড়ি ম্যানেজার—-
কিযে বলেন, গিয়েই দেখুন
বুকিং না হয় পরেই দেবেন,
শান্ত শিষ্ট ভদ্র চিত্তে
দুজন দুজনের-ভালোবাসা বুঝে নিবেন ।
আগন্তুক—-
ক্ষনিক দেখার স্বপ্ন আশা-
হারিয়ে গেলাে রাত পোহানোর পর,
দুটি দেহের মেলা মেশায়,
নারী তোর, ভাংলো সুখের ঘর।
প্রতিবেশী—-
নন্দীনি, আজ পথ ভ্রষ্ট্রা
প্রেমহীন, ভালোবাসা যেনো তার কাল,
পিতা-মাতা-আত্বীয়-স্বজন
কেউ নেই পাশে ,পুড়ালো কপাল।
পথচারী—-
চৌদ্দই ফেব্রুয়ারী ভালোবাসা দিবস
রেখে গেলো শুধু বেদনার স্থৃতি,
নন্দীনি, এখন পথের পাগল
লিখেন-তোমাকেই ভালোবাসি, অজস্র চিটি ।
Leave a Reply