নীলাঞ্জনা,
খোলা নীল আকাশের নীচে
তোমার ঝরঝরে উড়ন্ত কালোকেশ
আমাকে যতটা বিমূহিত করে-
তারচেয়ে দ্বিগুন-হৃদয়ের গহ্বীনে
পদ্ধার ঢেউ তুলে অর্হনিশি।
তোমার ঝলমলে রাজকপালের নিন্মে
মার্বেেলের মতো হরিণকালো দু-নয়ন
আমাকে যতটা আপন করে-
তারচেয়ে বেশী স্বপ্ন দেখায়
দু-চােখ ভরে অমবশ্যার অন্ধকারে।
নীলাঞ্জনা,
তোমার টুলপড়া গোলাকার মুখমল্ডল
দু-ঠোঠের মাঝখানে মুচকি হাসি
আর জিহব্বায় উচ্চারিত শব্দশৈলী-
আমার অনিচ্ছাকৃত ইচ্ছা শক্তিকে
জাগ্রত করে-প্রেম শেখায়।
হাতের উপর তোমার দু-হাত
তব-তবলার বোলে সুরতুলে
জাগিয়ে তুলে হৃদয়ের প্রেম-
শরীরে ঘামের গন্ধ নির্মজ্জিত
আমি-চমকে উঠি-বৈকি ।
অত:পর,
আমার কবিতার শব্দ শৈলীতে
ফুটে উঠে বাগানের ফুল-
অকপটে, নারীত্বের প্রকাশ ঘটে।
কিন্তু. প্রেম ভালোবাসার মাঝখানে
পুরুষের পুরুষত্ব কখনই নয় ।
অবশেষে,
তিনটি হৃৎপিণ্ডে অক্টোপাসের অবয়ব
হিমোসায়ানিন নামক রাসায়নিকের অভিপ্রায়-
নারীরা, সেই অক্টোপাস বটে ।
আর আমি-নিত্যান্তই পুরুষ
পুরুষোত্তম হতে পারিনি কখনো ॥
Leave a Reply