শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিল ইরানের বাসিজ বাহিনী বগুড়ার নন্দীগ্রামে লাঠির আঘাতে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী নিহত কুয়েত-ঢাকার বিমানের ফ্লাইট চলাচল ফের শুরু ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইস্যুতে হাসনাত আবদুল্লাহর দুঃখ প্রকাশ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী কপ-১৭ সম্মেলনের সাইডলাইনে পরিবেশমন্ত্রীর চার বৈঠক গুমের দিন শেষ হয়ে গেছে, বিগত ঘটনারও বিচার হবে : প্রতিমন্ত্রী ইশরাক গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ ইউনিট গঠন, তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

আল্লাহুমা আমিন আল্লাহুমা আমিন’ ধ্বনিতে মুখরিত ইজতেমা ময়দান

মৃণাল চৌধুরী সৈকত
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৭৪ বার

হে আল্লাহ তোমার নির্দেশিত পথে চলার তৌফিক দাও। হে আল্লাহ, আমাদের সকল নেক চাহিদা পূরণ করে দাও। হে রাহমানুর রাহিম আমাদের ওপর রহম করো। আমাদেরকে রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্তি দাও। আমাদের ওপর দয়া করো, হে আল্লাহ আমাদের অন্তর থেকে কুফরি, মোনাফেকি দূর করে দাও।
যেভাবে তুমি তোমার নেক বান্দাদের ওপর রহম করেছ। হে আল্লাহ, আমাদের পরিপূর্ণ ঈমান দাও। তোমার আজাব থেকে পরিত্রাণ দিয়ে জান্নাত নসিব করো। জাহান্নামের আগুন আমাদের জন্য হারাম করে দাও। বিশ্বের সকল মুসলিমকে হেফাজত করো। সকল আসমানি বালা আসমানে উঠিয়ে নাও, জমিনের বালা জমিতে দবিয়ে দাও। রোববার সকাল ৯টা থেকে ৯টা ২৩ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন কাকরাইল মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা জুবায়ের আহমেদ।আল্লাহর দরবারে আকুতি জানিয়ে মোনাজাতে আরো বলা হয়, হে আল্লাহ আমাদের জিন্দেগির গুনাহ মাফ করে দাও। হে আল্লাহ আমরা গুনাহ স্বীকার করতেছি। প্রিয় হাবিবের এতিম উম্মতকে মাফ করে দাও। হে আল্লাহ তুমি তো ক্ষমাশীল, তোমার কাছেই আমরা ক্ষমা চাইব। তোমার দ্বিনের ওপর আমাদের চলা সহজ করে দাও। হে আল্লাহ, তুমি আমাদের ওপর সন্তুষ্ট হয়ে যাও। হে আল্লাহ আমাদের দুনিয়ার জিন্দেগি সহজ করে দাও, শান্তির জিন্দেগি নসিব করে দাও । হে আল্লাহ আমাদের দিলে তোমার জিকির নসিব করে দাও। হে আল্লাহ, ইজতেমাকে কবুল করো। ইজতেমার আয়োজনে যারা শ্রম দিয়েছে তাদের কবুল করো। যারা তোমার কাছে হাত তুলেছে সবাইকে তুমি কবুল করো। ইজতেমার বক্তা ও শ্রোতা সকলকে তুমি কবুল করো। সারা বিশ্বের মুসলমানের জান-মালকে তুমি হেফাজত করো, শান্তি-শৃংখলা ফিরিয়ে দাও। দাওয়াতে তাবলিগকে বিশ্বব্যাপী প্রসারিত করো- ইত্যাদি আকুতিপূর্ণ মিনতি, অসীম অনন্ত প্রেমময় আল্লাহর কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ ও অশ্রুসিক্ত আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে রবিবার শেষ হলো পবিত্র হজের পর মুসলিম জাহানের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় সমাবেশ তাবলিগ জামাতের ৫৭তম আসরের আললি শূরার তত্ত্বাবধানে শূরায়ে নেজামের বিশ্ব ইজতেমা। মোনাজাতে সমগ্র বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, মুক্তি, সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি, নিরাপত্তা, ইহ ও পারলৌকিক কল্যাণ কামনা করে, বিভেদ ভুলে ঐক্যের আহ্বানে মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে কাকুতি-মিনতি জানানো হয়। নানা ঝুট ঝামেলা উপেক্ষা করে গভীর ভাবাবেগপূর্ণ পরিবেশে ‘আমিন, আল্লাহুমা আমিন’, ধ্বনিতে টঙ্গীর আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে দয়াময় আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে অপার করুণা ও রহমত কামনা করে রাজধানী ঢাকাসহ সমগ্র বাংলাদেশের প্রায় ৩০/৩২ লক্ষাধিক মুসল্লি ছাড়াও আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন বিশ্বের ৭২ দেশের প্রায় ৮ হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমান। সকাল থেকে দিক নির্দেশনামূলক বয়ানের পর লাখো মানুষের প্রতীক্ষার অবসান ঘটে সকাল ৯টায়। জনসমুদ্রে হঠাৎ নেমে আসে আবেগঘন নীরবতা। যে যেখানে ছিলেন, সেখানে দাঁড়িয়ে কিংবা বসে হাত তোলেন আল্লাহর দরবারে। আখেরি মোনাজাতকে ঘিরে লাখ লাখ মুসলমান যেন বাঁধ ভাঙা স্রোতের মতো ছুটেন টঙ্গী অভিমুখে। রাজধানী ঢাকা ছিল প্রায় ফাঁকা। টঙ্গী, গাজীপুর, উত্তরাসহ চারপাশের এলাকার প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, মার্কেট, বিপণিবিতান, অফিস ছিল বন্ধ। এ ছাড়া শিল্পনগরী টঙ্গীর প্রায় শতাধিক বহুতল ভবনের ছাদে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মা ও বোনেরা এ আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন। সবার চেষ্টা ছিল দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লিদের সঙ্গে মোনাজাতে শরিক হয়ে নিজের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা। বিশ্ব ইজতেমায় অংশগ্রহণকারী লাখ লাখ মুসল্লি ছাড়াও রাজধানীসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার হাজার হাজার মানুষ ভিড় এড়াতে নানা ঝামেলা উপেক্ষা করে রাতেই টঙ্গীমুখো হয়। দূর-দূরান্ত থেকে আল্লাহপ্রেমী মুসলমানরা রেলপথ, সড়কপথ, নৌপথসহ বিভিন্ন যানবাহন এবং অনেকে পায়ে হেঁটে টঙ্গীতে পৌঁছে অবস্থান নিতে শুরু করেন। যতই সময় গড়াতে থাকে ততই মানুষের ঢল বাড়তে থাকে তুরাগের নদের তীরে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের সমাবেশ ঘটে আখেরি মোনাজাতে। সকাল থেকে সড়কপথে টঙ্গীমুখী সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় দীর্ঘপথ পায়ে হেঁটে টঙ্গী পৌঁছতে হয়েছে লাখো মানুষকে। শনিবার মধ্যরাত থেকে নদীপথ, রেলপথ ও যানবাহনশূন্য সড়ক-মহাসড়ক দিয়ে পায়ে হেঁটে টুপি-পাঞ্জাবি পরা মানুষের বাঁধভাঙা জোয়ার শুরু হয়। চারদিকে যত দূর চোখ যায় শুধু টুপি-পাঞ্জাবি পরা ধর্মপ্রাণ মানুষ আর মানুষ। সকাল ৮টার মধ্যেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় তুরাগ নদের তীর তথা পুরো ইজতেমাস্থল ও চারপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা। ফলে আশপাশের খোলা জায়গা, বাসা-বাড়ি, ভবন, ভবনের ছাদ ও অলি-গলিসহ যে যেখানে পেরেছেন পাটি, চটের বস্তা, খবরের কাগজ বিছিয়ে কাঙ্ক্ষিত মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেছেন। সমাপনী ও হেদায়াতি বয়ান সকালে ইজতেমার মোনাজাতের আগে বাদ ফজর হেদায়াতি বয়ান করেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক (রাইবেন্ড)। এরপর নসিয়তমূলক বয়ান করেন ভারতের মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা। তিনি ইমান, নামাজ, আমল, তালিম, এলেম, জিকির, দাওয়াতের গুরুত্ব তুলে ধরে বয়ান রাখেন। মোনাজাতপূর্ব বয়ানে মাওলানা জুবায়ের আহমেদ সমবেত মুসল্লিদের উদ্দেশে তাবলিগ ও দাওয়াতে মেহনতের গুরুত্ব তুলে ধরেন। ফিরতি যাত্রায় বিড়ম্বনা ও যানজট সৃষ্টি এবং বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত শেষে মানুষ একসাথে ফেরার সময় সড়ক-মহাসড়কগুলোতে জনজট ও যানজটে একাকার হয়ে যায়। এ অবস্থাটি আখেরি মোনাজাতের পর প্রতিবছরই ঘটে। চার-পাঁচ দিন ধরে টঙ্গীতে জমায়েত হওয়া মুসল্লিরা একযোগে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরতে চাইলে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে দেখা যায় । হাজার হাজার বৃদ্ধ, শিশু-কিশোর ও মহিলা মাইলের পর মাইল হেঁটে মোনাজাতে শরিক হন এবং একইভাবে ফেরেন। ১১ টার পর সীমিত আকারে যানবাহন চলাচল শুরু হলেও পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। দূর-দূরান্তের যাত্রীরা রিকশা-ভ্যান, টেম্পু, ট্রাক, কাভার্ডভ্যানে চড়ে ভেঙ্গে ভেঙ্গে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ান দিতে দেখা গেছে। অপরদিকে, টঙ্গী স্টেশনে ফিরতি যাত্রীদের জন্য অপেক্ষমান ট্রেনগুলোতে উঠতে মানুষের জীবনবাজির লড়াই ছিল উদ্বেগজনক। ট্রেনের ভিতরে জায়গা না পেয়ে ছাদে ও দরজা-জানালায় ঝুলে শত শত মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফিরতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে মানুষের জন্য ট্রেন দেখা যাচ্ছিল না। আখেরী মোনাজাত শেষে হুড়োহুড়ি করে ইজতেমা ময়দান থেকে বের হতে গিয়ে অগণিত জুতা ও সেন্ডেল ফেলেই খালি পায়ে মাঠ ত্যাগ করেন ধর্মপ্রাণ অনেক মুসল্লিরা। এছাড়াও মোনাজাত শেষে ইজতেমা মাঠ ও আশপাশের সড়কগুলোকে বিপুল পরিমাণ পত্রিকার কাগজ, জুতা ও সেন্ডেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয় কিছু লোক ও টোকাইরা পরিত্যক্ত জুতা ও সেন্ডেল বস্তায় ভরে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। বিশ্ব ইজতেমায় প্রথম পর্বে ১৯ মুসল্লির মৃত্যু : বিশ্ব ইজতেমায় আজ রবিবার সকাল পর্যন্ত একজন পুলিশ সদস্যসহ ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ইজতেমা ময়দানে ১৩ জন, ময়দানে আসার পথে একজন পুলিশ সদস্যসহ ছয়জন। নিহতরা হলেন, রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার সানোয়ার হোসেন (৬০), চট্রগ্রামের আনোয়ারার জলিলের ছেলে আলম (৫৬), নরসিংদীর নুরুল ইসলামের ছেলে শাহনেওয়াজ (৬০) সিরাজগঞ্জ জেলার ওসমান গনির ছেলে আল মাহমুদ(৭০), শেরপুর জেলা সদরের জুগনিবাগ গ্রামের মৃত সমশের আলীর ছেলে নওশের আলী (৬৫), ভোলা জেলার পরাগগঞ্জ থানার সামানদার গ্রামের বেলায়েত হোসেনের ছেলে আ. কাদের (৫৫) ও নেত্রকোনা সদরের কালিয়াঝুড়ি এলাকার হোসেন আহম্মদের ছেলে স্বাধীন (৪৫), নেত্রকোনা থানার কুমারী বাজার গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আবদুস সাত্তার (৭০), একই জেলার বুড়িঝুড়ি গ্রামের স্বল্পদুগিয়া গ্রামের আব্দুস ছোবাহানের ছেলে এখলাস মিয়া (৬৮), ভোলা জেলার ভোল্লা গ্রামের নজির আহমেদের ছেলে শাহ আলম (৬০), জামালপুর জেলার তুলশীপুর এলাকার পাকুল্লা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে মতিউর রহমান (৬০), টঙ্গীর বসির মিয়ার ছেলে আঃ জব্বার(৫৫)। আরেকজনের পরিচয় জানাযায়নি। ময়দানে আসার সময় মারা যাওয়া ছয়জন হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানার ধামাউরা গ্রামের ইউনুছ মিয়া (৬০), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার চৌহদ্দীটোলা গ্রামের জামান মিয়া (৪০), ইজতেমায় আসার পথে বাসচাপায় পুলিশ সদস্য হাসান উজ্জামান (৩০) মারা যান, শেরপুরের আমেলা খাতুন(৬০), ঢাকার মিরপুর সাড়ে এগারর বাসিন্দা মোশাররফ আহমেদের ছেলে মোবাশ্বের আহমেদ (৬৮) ও আরেকজনের পরিচয় পাওয়াযায়নি। তাশকিলের কামরায় চিল্লাভুক্ত মুসল্লি ইজতেমার প্যান্ডেলের উত্তর-পশ্চিমে তাশকিলের কামরা স্থাপন করা হয়েছে। বিভিন্ন খিত্তা থেকে বিভিন্ন মেয়াদে চিল্লায় অংশ গ্রহনেচ্ছু মুসুল্লীদের এ কামরায় আনা হচ্ছে এবং তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। পরে কাকরাইলের মসজিদের তাবলিগি মুরুব্বীদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ি এলাকা ভাগ করে তাদের দেশের বিভিন্ন এলাকায় তাবলিগি কাজে পাঠনো হবে। মোনাজাতে নারীদের অংশগ্রহণ ইজতেমায় নারীদের অংশ নেয়ার বিধান না থাকলেও ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার নারী ইজতেমা ময়দানের আশপাশের সড়ক, মার্কেট ও বাসা-বাড়ির ছাদে অবস্থান নেন। এদিকে, রবিবার ভোর থেকে টঙ্গীর প্রায় সব রাস্তা পরিণত হয় বাজারে। এমন কিছু নেই যা পাওয়া যায়নি এসব বাজারে। ইজতেমায় কম্বল, সুয়েটার, কোট-টাই, শাড়ি, লুঙ্গি, মাছ-মাংস, ডিম, সবজি, গুড়-মুড়ি, আপেল-কমলা থেকে শুরু করে চিনা মাটির তৈজসপত্র, হাড়িপাতিল, মোবাইল ফোন সব কিছুই বিক্রি হয়েছে। বাজারে সব কিছুর দাম কম- এ খবরে ছুটে আসতে দেখা গেছে দল বেধে মহিলাদের। টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা আয়োজক কমিটির শীর্ষ মুরুব্বি প্রকৌশলী প্রকৌশলী মাহফুজুল হান্নান জানান, আলহামদুলিল্লাহ কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই এবারের এক পক্ষের ইজতেমা সমাপ্ত হয়েছে। ইজেতেমার সার্বিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মুসল্লিদের আসতে এবং ময়দানের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের ভূমিকায় আইনশংখলা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সরকারের প্রতি ইজতেমা আয়োজক কমিটির পক্ষে সন্তোষ প্রকাশ করছি।
মোনাজাত চলাকালীন ওপরে আশপাশের বহুমুসল্লী ক্ষোভ প্রকার করে বলেন, শীতের সকাল, মোনাজাতের সময় নির্ধারণ না করায় অনেকেই মোনাজাতে অংশ নিতে পারেননি। এটা খুব কস্টদায়ক । আগামীতে যাতে এমনটা না হয় তারও আহবান জানান মুসল্লীররা ।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories