শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিল ইরানের বাসিজ বাহিনী বগুড়ার নন্দীগ্রামে লাঠির আঘাতে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী নিহত কুয়েত-ঢাকার বিমানের ফ্লাইট চলাচল ফের শুরু ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইস্যুতে হাসনাত আবদুল্লাহর দুঃখ প্রকাশ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী কপ-১৭ সম্মেলনের সাইডলাইনে পরিবেশমন্ত্রীর চার বৈঠক গুমের দিন শেষ হয়ে গেছে, বিগত ঘটনারও বিচার হবে : প্রতিমন্ত্রী ইশরাক গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ ইউনিট গঠন, তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

ময়দান নিয়ে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে- সংবাদ সেম্মলনে দাবী সাদপন্থী তাবলীগীদের

মৃণাল চৌধুরী সৈকত
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ১১০ বার

তাবলিগ জামাতের একাংশ মাওলানা সাদ কান্ধলভির অনুসারীরা সাত দফা দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ইজতেমা ময়দানের পাশেই সী-সেল রেস্তোরাঁয় এ আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে মাওলানা সাদের অনুসারীরা বিশ্ব ইজতেমা ময়দান নিয়ে তাঁদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে বলে দাবী করেন।
সাত দফা দাবী জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন সাদপন্থীদের শীর্ষ মুরব্বিদের একজন আব্দুল কুদ্দুস বাদল। দাবিগুলো হলো—প্রশাসনের তদারকিতে দুই পক্ষকে ইজতেমার প্যান্ডেল তৈরি ও খোলার দায়িত্ব দেওয়া; কাকরাইল মসজিদ ও ইজতেমা ময়দান থেকে মাদ্রাসা অপসারণ; তাবলিগের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রশাসনের সহযোগীতায় নিরপেক্ষ কমিটি গঠন; কাকরাইল মসজিদ দিল্লির নিজামুদ্দিন মার্কাজের অধীনে পরিচালিত করা; দেশের সব মসজিদে তাবলিগের কার্যক্রম পরিচালিত করা; বিশ্ব ইজতেমায় সব মুরব্বির আগমন নিশ্চিত করা এবং তৃতীয় পক্ষের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হেফাজতের মদদপুষ্ট মাওলানা জোবায়ের গ্রুপ মূলত বিদ্রোহী। তারা বিশ্ব তাবলিগের মূল ধারা থেকে বের হয়ে গেছে। কাকরাইল মসজিদ ও বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে তাদের বৈধতা নেই। তারা তাবলিগের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বারবার অশান্ত করার চেষ্টা করছে। এহেন কর্মকান্ড বন্ধ করা।
সংবাদ সম্মেলনে দাবী করা হয়, উভয় পক্ষকে একই প্যান্ডেলে ইজতেমা করতে দেওয়া হলেও জোবায়ের গ্রুপকে প্যান্ডেল নির্মাণ এবং সাদ গ্রুপকে খোলার অনুমতি দেওয়া হয়। বার বার প্রথম দফায় জোবায়ের গ্রুপের ইজতেমা করা হয় যা উচিৎ নয়।
লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, ২০১৮ সালে সাদপন্থী মূল ধারার অনুসারীরা প্রশাসনের কাছে ইজতেমা ময়দান হস্তান্তর করে। এখন হেফাজত-সমর্থিত জোবায়ের পন্থীদের একতরফা ইজতেমা ময়দান, ইজতেমা মাদ্রাসা, ইজতেমা মসজিদ ও গোডাউন ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়েছে। চার বছর ধরে জোবায়ের গ্রুপকে চার সপ্তাহের জন্য কাকরাইল মসজিদ ব্যবহার করতে দেওয়া হয়, আর সাদপন্থীদের কাকরাইল মসজিদ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয় মাত্র দুই সপ্তাহের জন্য।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, কয়েক বছর ধরে তাবলিগের বিভক্তির শুরু থেকে হেফাজত নেতারা সরাসরি হস্তক্ষেপ ও মাদ্রাসা ছাত্রদের ব্যবহার করে তাবলিগের মূল ধারার সাথীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে এবং তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।
নানাভাবে সারা দেশে সাদপন্থী মূল ধারার তাবলিগ অনুসারীদের ওপর নির্যাতন করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইজতেমা আয়োজক কমিটির গণমাধ্যম সমন্বয়ের দায়িত্ব থাকা মোহাম্মদ সায়েম, ইজতেমা আয়োজক কমিটির মুরব্বি (সাদপন্থী) ইউনুস মিয়া, মাওলানা সৈয়দ আনোয়ার আব্দুল্লাহ, সোহেল ও আতাউল্লাহ।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories