মৃণাল চৌধুরী সৈকত
মহামারী করোনার প্রভাব কাটতে না কাটতেই অন্য এক অতিমারীর ছায়া ঘনাচ্ছে হুঁশিয়ারি জাতিসঙ্ঘের। এই অতিমারী হতে চলেছে খরা ।
বিশ্ব উষ্ণায়ন, জলবায়ু ও ঋতু-পর্বের পরিবর্তন, ভূগর্ভস্থ পানির অপরিকল্পিত ব্যবহার, অপচয় এবং ক্রমবর্ধমান জনঘনত্বের বিপদই এই আসন্ন অতিমারীর জন্য দায়ী হতে চলেছে।গত দু’দশকে অন্তত পক্ষে দেড়শ’ কোটি মানুষ ইতোধ্যেই খরার প্রকোপে পড়েছেন। বিঘ্নিত হয়েছে অর্থনীতি ।
জাতিসঙ্ঘের বলছে, পৃথিবীর বিশেষ কিছু অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কমছে বলে খরা তরান্বিত হচ্ছে। ইতোমধ্যেই পানিসঙ্কটে ভোগা অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিতও হয়েছে বিশ্বের বেশ কিছু স্থান। বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য ইতোমধ্যেই ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণে ব্যাপক ঘাটতি দেখা গেছে। পানিরস্তর নিচে নেমেছে। ভূগর্ভস্থ পানির অপচয় রোখার কয়েকটি পথেরও উল্লেখ করা হয়েছে জাতিসঙ্ঘের রিপোর্টে। বলা হয়েছে, এজন্য কৃষিকাজ বাড়াতে হবে আরো অনেক গুণ। কমাতে হবে পর্যটন, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন।এ থেকে খুঁজে বের করতে হবে আমাদের বাঁচার উপায়, বিশ্বব্যাপী গ্রহন করতে হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ।
Leave a Reply