ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী বিভিন উপজেলা সহ পাহাড়ি অঞ্চল গুলোতে অতিরিক্ত বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারনে বাড়ি ঘর,রাস্তাঘাট, বাজার অফিস বিভিন্ন স্থাপনায় বন্যার পানি উঠেছে।
এদিগে গত কাল থেকে পাহাড়ি অঞ্চল গুলিতে ব্যাপক বৃষ্টি এবং ভারতের মেঘালয় আসামে ব্যাপক বৃষ্টির কারণে পানি নিচে নেমে আসছে, ফলে সিমান্তবর্তী উপজেলা বিশেষ করে হালুয়াঘাট,নালিতাবাড়ী ঝিনাইগাতীতে বন্যা দেখা দিয়েছে।

সকাল থেকে পাহাড় থেকে ধেঁয়ে আসা পানি নদী উপচে এবং ব্যাপক স্রোতের কারণে বিভিন্ন জায়গা ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। নদী ভাঙ্গনের পানি আশ পাশের রাস্তাঘাট, বাড়ীঘর,এমনকি উপজেলার বিভিন্ন স্হাপনায় প্রবেশ করেছে। ঝিনাইগাতীতে দেখা যায় কোন কোন বাড়িতে গলা সমান পানি, উপজেলা প্রধান প্রধান সড়ক গুলিতে হাটু পরিমান পানি,যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে,রাস্তাঘাট ভেঙ্গে গেছে অনেক জায়গাতে ভেসে গেছে শত শত পুকুরের মাছ।ফলে অনেকের বাড়িতে সকাল থেকে রান্না করা, অফিসে করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

কিছু কিছু জায়গায় সাধারণত মানুষ রাস্তা ভাঙ্গা রোধে বস্তামাটি ফেলতে দেখা গেলেও কোন দায়িত্বশীল ব্যাক্তিকে সহযোগিতা করতে দেখা যায় নাই। কাউকে কাউকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলতে শুনা গেছে এখন কাউকে পাওয়া যাবে না, কয়দিন পর প্রকল্পের নামে লুটপাট করার সময় সবাই থাকবে। দুপুরের পর প্রশাসনের উদ্থর্ধতন কর্মকর্তাদের বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন দেখা গেছে। এছাড়া ঝিনাইগাতি দুই বারের নির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লাইলী বেগমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেততৃবৃন্দকে বন্যা কবলিত বিভিন্ন এলাকাপরিদর্শন করতে দেখা গেছে।
Leave a Reply