যমুনা নদীতে বালু বাহী লঞ্চ ডুবির ঘটনায় দুই জন নিখোঁজ ও আহত হয়েছে চারজন। রবিবার সকাল আনুমানিক ১০ ঘটিকায় দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার টিনের চর এলাকায় পৌঁছালে লঞ্চটি ডুবে যায়। এতে দুই জন নিখোঁজ ও অপর চারজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফুলছড়ির ফুটানী এলাকা থেকে বালু ভর্তি বোলগেইটটি টিনের চর জলসীমায় পৌঁছালে প্রবল ঢেউ ও স্রোতের তোড়ে ৭ জন শ্রমিকসহ ডুবে যায়।
নিখোঁজ দুই জন হলেন, ইসলামপুর উপজেলার পাথর্শী ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের শশারিয়াবাড়ি খান পাড়ার বাসিন্দা মৃত বাদশা মিয়ার পুত্র মোঃ হুমায়ুন ও মৃত বকুলের ছেলে সাহেব আলী। আহত ৪ জনের মধ্যে দুইজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া শ্রমিক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমাদের বালু ভর্তি বোলগেইট ফুটানী এলাকা থেকে টিনের চর জলসীমায় পৌঁছালে প্রবল ঢেউ ও স্রোতের তোড়ে ডুবে যায়। আমরা সবাই সাঁতরে তীরে উঠে আসলেও হুমায়ুন ও সাহেব আলী তীব্র স্রোতের তোড়ে ডুবে যায়।
ইসলামপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার খায়রুল ইসলাম এর নেতৃত্বে জামালপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের ১টি ইউনিট ও ইসলামপুর ফায়ার সার্ভিসের এর ১টি ইউনিট উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।এই উদ্ধার অভিযানে তাদের সহযোগিতা করেন বাহাদুরাবাদ নৌঘাঁটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ৫সদস্যের একটি দল ও বিআইডব্লিউটি এর সদস্য।
এই অভিযানের সময় উদ্ধারকারী দলকে সহযোগিতা করেন মেম্বার প্রার্থী মির্জা সাব্বির হাসান লিখন ও মোঃ ফজলুল হক।
এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, একটা প্রভাবশালী ও সংঘবদ্ধ চক্র বছরের পর বছর ধরে অধিক টাকার লোভে নদীকে ধ্বংস করে বালু এনে বিক্রি করছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং ভবিষ্যতে যেন আর কোন মায়ের কোল থেকে সন্তানের অপমৃত্যু না হয় এ জাতীয় কাজের নামে।
Leave a Reply