১৪ মে/২২ শনিবার হালুয়াঘাট উপজেলা মুজাখালি গ্রামে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় হাজারো ভক্তের আগমনে অনুষ্ঠিত ও পুঁজিত হলেন মা কাঁমাক্ষা। দুইশত বৎসরে ধরে ঐতিহ্যবাহী এ মন্দিরে পুঁজিত হয়ে আসছেন মা কাঁমাক্ষ।
কথিত আছে দুইশত বৎসর পূ্র্বে কোন এক পান্ডা ভারতের কামরুক কাঁমাক্ষা থেকে একটি পাথর এনে তৎকালিন গভীর জংগলের বর্তমানে হালুয়াঘাট উপজেলা মুজাখালি গ্রামে পুজা শুরু করেন। এরপর থেকে হালুয়াঘাট উপজেলা সনাতন ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ একটি জায়গা দিয়ে স্থায়ী পূঁজা মন্ডপ তৈরি করে পুজা অর্চনা করেন। আস্তে আস্তে এর প্রচার শুরু হয়। স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় রাজাকাদের দারা মন্দিরের ব্যাপক ক্ষতি হয়। যুদ্ধ শেষ হলে তৎকালিন সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষদের মাধ্যমে এর কিছু সংস্কার করে পুঁজা অর্চনা করে।

পরে ২০১১ সাল থেকে নতুন কমিটির মাধ্যমে মন্দিরের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়।বর্তমানে মন্দিরে উন্নয়নে সরকারীভাবে কিছু কাজ করা হচ্ছে।এর ব্যাপক প্রচার করা হয়, ফলে এ বৎসর বিভিন্ন জায়গা থেকে হাজার হাজার ভক্ত এসে পুজা দেন।এ উপলক্ষে গত কিছুদিন যাবৎ কমিটি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে ছিল। পুঁজায় সনাতন ধর্মী গোষ্ঠির পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মীয় বিশ্বাসের লোকজনও উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া হালুয়াঘাটের পৌর মেয়র খায়রুল আলম ভুঞা, সহকারী কমিশনার ভূমি তৌহিদুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক মোরশেদ আনোয়ার খোকন, আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দসহ যুবলীগের আহবায়ক নাজিম উদ্দীন, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি, সম্পাদক এবং আশ পাশের জেলা থেকেও অনেক ভক্ত উপস্থিত থেকে তাদের মানত হিসাবে মায়ের উদ্দেশ্য পাঠা কবুতর উৎসর্গ করেন, পূঁজাকে কেন্দ্র করে একদিনের জন্য মন্দিরের চারপাশে অনেক দোকান ও মেলা বসে।কমিটির পক্ষ থেকে সকল ভক্তদের দুপুর প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
Leave a Reply