বৈশাখ মাসের শেষ শনিবার কাঁমাক্ষ্যা মায়ের বাৎসরিক বড় পূজা অনুষ্টিত হয়ে থাকে। এ উপলক্ষে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি।
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীর পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মের মানুষ জাগ্রত মা কাঁমাক্ষ্যার অনুগ্রহ পাওয়ার আশায় প্রতিবছর বড় পূঁজায় মন্দিরে উপস্থিত হয়ে থাকেন। এ বৎসর দিনটি পড়েছে ৩১ বৈশাখ এবং ১৪ মে/২০২২ ইং, সকাল ৯ টা থেকে পূঁজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শ্রী শ্রী কাঁমাক্ষ্যা মাতা পরিচালনা কমিটির সম্পাদক কাঞ্চন সরকার। পূঁজা পরিচালানর জন্য ইতিমধ্যে উপ-কমিটি গঠন, দায়িত্ব বন্টনসহ সকল প্রকার প্রস্তুুতি নেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে উপরোক্ত পূঁজাকে নিরাপদ করার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং এর নির্দেশনায়- হালুয়াঘাট পৌরসভার মেয়র খায়রুলল আলম ভুঁঞা, হালুয়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.শাহিনুজ্জামান খান ও উপজেলা পূঁজা উদযাপন কমিটি, কাঁমাক্ষ্যা মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পরে অফিসার ইনচার্জ মো. শাহিনুজ্জামান খান সকল নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে সরজমিনে মন্দির প্রাঙ্গন পরিদর্শন করেন এবং নেতৃবৃন্দকে বিভিন্ন দিগ-নির্দেশনা দেন।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পূঁজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক জয়দেব দত্ত, সাধা: সম্পাদক অশোক সরকার অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক ও কাঁমাক্ষ্যা মন্দির কমিটি সহ-সভাপতি সমীর সরকার, সহ-সম্পাদক পল্লব ভাট, পূজা কমিটির সাধা: সম্পাদক বাবু ঘোষ প্রমূখ।
থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, পূঁজাকে সুন্দর ও নিরাপদ করতে যা প্রয়োজন সব করা হবে।
পৌর মেয়র জানান, এই পূজা হালুয়াঘাটের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখার এক অনন্য বৈশিষ্ট। এই পূঁজাকে ধর্ম-বর্ণ, দলমত নির্বিশেষে একতাবদ্ধ ভাবে ধরে রাখতে হবে। একে ধরে রাখার দায়িত্ব আমাদের। এর জন্য পৌরসভা ও পৌরবাসীসহ আমরা সকলে সর্বাত্মক সহযোগীতা করবো।
সভাপতি জয়দেব দত্ত সবার সর্বোচ্চ সহযোগীতা কামনা করেন এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য, পৌরসভার মেয়র, থানার অফিসার ইনচার্জকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। সেই সাথে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে মা কাঁমাক্ষ্যার পূঁজাতে উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগী করার অনুরোধ জানান।
Leave a Reply