—–শিখা গুহ রায় উদাস হাওয়া এসেছিল ভেসে ভাবছি শুয়ে শূণ্য বিছানাতে চলে যাব অস্থির জগৎ ছেড়ে দূরে বহুদূরে ভেবে দেখবো না পিছু!কী পেলাম,কী হারালাম! কি আছে সঞ্চয়?এত দূর এসেও চাঁদের
—–শিখা গুহ রায় (ভারত) দেয়ালের ওপাশেসুগন্ধ কামিনী গাছঅন্ধকারেও গন্ধছড়িয়ে দিতে পারেমনটা ভালো করে দিতে পারেএক নিমিষেই। সেখানে সুরভীর উৎসব চলছেচলে অবিরত,তবুও নতুন গন্ধের সন্ধানেআমি আপনি সবাই। অথচ একদিন এইসুরভী ছেড়ে
ক্ষুধা…..খালেদা লিপি “ক্ষুধা” শিরোনামে কবিতা লিখি।এই কবিতা জানি পাঠক খাবে নাপাঠকগণ কবিতায় ভালোবাসা চায়,যৌনতায় টইটম্বুর উষ্ণতা চায়।পাঠকের পেটেও ক্ষুধা আছেতবুও পাঠক কেন“ক্ষুধা” শিরোনামের কবিতা খায় না ?ভালোবাসা বা যৌনতায়ওপেটের ক্ষুধা
– জাহাঙ্গীর হোসাইন বাবলু রাত জাগা ভালো নয়জানে, সবাই তা জানে। দুটি মন এক হলে মানে কি তা প্রানে। কেহ রাত জাগে শুধু নিদারুন যন্ত্রনা বিঁষে। কেউ কাম ক্রোধে জাগে
কত রং তামাশায়-কাটে রে তোরকাটে কত দিন,এ জীবন তোর-নয়রে স্থায়ী-ওরেকরলি কত ঋণ।ঋণের বোঝা মাথায় নিয়া-যে দিনযাইতে হবে চলে,সেই দিন-দিতে হবে ঋণের হিসাবওরে-পরবাসী হলে।রং তামাশায় কাটে যখন-জীবন যৌবননা ভাবিয়া ক্ষণ,থাকবে পড়ে
একদিন আমি যাবো চলে তোমাদের কে ছেড়ে, আসবেরে ডাক যমদূত আমায় নিয়ে যাবে কেড়ে ! দেবােনা আর সঙ্গ কারাে দেবো নারে সময়, এজনমের কর্ম হবে আমার পর জনমের ভয়। কর্ম