বর্তমান সময়ে বিভিন্ন রোগের নিরাময় কিংবা পুষ্টি পেতে মানুষ ওষুধের পিছনে ছুটে বেড়ায়। আমাদের চারপাশে এমন অনেক গাছগাছড়া রয়েছে যেগুলোর উপকারিতা রয়েছে অনেক। একপ্রকার অবহেলায় গজিয়ে ওঠা বেশ কিছু গাছ
২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে যক্ষ্মামুক্ত করতে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।তিনি বলেন, যক্ষ্মা এমন একটা ব্যাধি যা শুধু আমাদের দেশ নয়, বৃহত্তরভাবে বিশ্ব
লাল, হলুদ, গোলাপি ও সবুজ— এমনকি, আপনার প্রস্রাব রংধনু মতোও হতে পারে। শুধু তাই নয়, আপনি অবাক হবেন যে এর রং বেগুনি, কমলা কিংবা নীলও হতে পারে। আবার, এগুলোর পাশাপাশি
টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে বন্যাকবলিত সিলেট বিভাগের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়া ও পানিবাহিত রেগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।বুধবার সচিবালয়ে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় ও
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং সারা দেশে আরও ৪৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু
রোগীর চিকিৎসাসেবায় কোনো গাফিলতির সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। আজ রবিবার দুপুরে সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার ফোরাম আয়োজিত বিএসআরএফ
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং সারা দেশে আরও ২৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক
সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে কুষ্ঠ নির্মূলে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে কুষ্ঠ নির্মূলে যে অঙ্গীকার করেছেন, তা পূরণে স্বাস্থ্য
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ডেঙ্গু চিকিৎসার জন্য ওষুধপত্র, স্যালাইনসহ হাসপাতালে সার্বিক প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। ডেঙ্গু মৌসুম শুরু হলে এ বিষয়ে আরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।রোববার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
মুখ হলো মানবদেহের অন্যতম এক বিচিত্র জায়গা, যেখানে ৭০০-এর বেশি প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, ভাইরাস ও কিছু প্রোটোজোয়ার বসবাস।এই সবগুলো একসঙ্গে ওরাল মাইক্রোবায়োম নামে পরিচিত। অন্ত্রে থাকা মাইক্রোবায়োমের মতো মুখে থাকা