সরকার সার্বিকভাবে বন্যার্তদের পাশে আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বন্যাদুর্গত এলাকায় যা যা করা দরকার, তার সবই আমরা করছি। ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতাসহ সব কাজ করা হচ্ছে।আজ
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু হচ্ছে বুধবার। যেটির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলা ‘ট্রাক সেলের’ কার্যক্রমের ইতি ঘটতে যাচ্ছে।এ কার্যক্রমের আওতায় সুলভ মূল্যে দেশের এক কোটি নিম্ন আয়ের মানুষকে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২৫ জুন বহুল কাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হবে। এ সেতু বাংলাদেশের গর্ব ও অহংকার।আজ বুধবার (২২ জুন) বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা
বর্তমান অবস্থায় ঘরে বসে বা অ্যাপসের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ না থাকলেও একদিন হয়তো তেমন সুযোগ হবে বলে মনে করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।মঙ্গলবার (২১ জুন) বিকালে নির্বাচন
বন্যা নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে সহায়তা দেওয়া হবে।সিলেট বিভাগের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি
বন্যাদুর্গতদের দেখতে গিয়ে সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহ পরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (২১ জুন) সকালে ১০টার দিকে তিনি হেলিকপ্টারযোগে সিলেটে এসে পৌঁছান। এরপর দুপুরের
ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সিলেট বিভাগের প্রতিটি জেলাই কম-বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বিভাগের চার জেলার কয়েক লাখ মানুষ। বানের পানিতে ডুবে এবং ভেসে গিয়ে এখন পর্যন্ত সিলেট
আগামী ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। নির্বিঘ্নে যাতে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয় সেই লক্ষ্যে পুলিশ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) এ
উজানে ভারী বৃষ্টির কারণে দেশের সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে। আর এর ফলে নতুন করে আরও কিছু এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।রবিবার (১৯
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে চলতি বছরেই দেশটি সফরে যাবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে সেপ্টেম্বরে সম্ভাব্য তারিখও ঠিক করা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সফরের তারিখ নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর