নদ-নদীর পানি কমতে থাকায় দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে উন্নতি হচ্ছে বন্যা পরিস্থিতির। তবে বাড়িঘর থেকে বন্যার পানি না নামায় দুর্ভোগে রয়েছেন বন্যাকবলিতরা। খাবার সংকটের পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির অভাবে দেখা দিয়েছে পানিবাহিত নানা রোগ।ফরিদপুরে পদ্মার নদীর পানি কমলেও এখনো বিপৎসীমার ওপরে বইছে। বাড়িঘরে পানিতে তলিয়ে থাকায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে চর দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন বানভাসিরা। বাড়ছে পানিবাহিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা।
শরীয়তপুরের নড়িয়া ও জাজিরার নদীতীরবর্তী এলাকা থেকে বন্যার পানি না নামায় গৃহপালিত পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেক পরিবার। খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পানিবন্দি মানুষের দিন কাটছে সীমাহীন দুর্ভোগে।পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে মানিকগঞ্জে পদ্মা তীরবর্তী হরিরামপুর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে বিলীন হয়ে গেছে শতাধিক ঘরবাড়ি।কুড়িগ্রামে ঘরবাড়ি থেকে বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও কর্মহীন থাকায় খাদ্য সংকটে পড়েছেন বানভাসিরা। চরাঞ্চলের চারণভূমি নষ্ট হওয়ায় দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের সংকট। প্রায় ২৭ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ক্ষেত।যমুনার পানি কমলেও সিরাজগঞ্জে এখনো তলিয়ে আছে হাজার হাজার বসতভিটা। বাঁধে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষজন। দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগ।টাঙ্গাইলের সাতটি উপজেলার প্রায় দেড় লাখ মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। যমুনা ও ধলেশ্বরীর তীরবর্তী এলাকায় আবারো দেখা দিয়েছে ভাঙন। সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ দেয়া হলেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে অভিযোগ অধিকাংশ বানভাসীদের।গাইবান্ধার সদর, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও ফুলছড়ি উপজেলায় শুরু হয়েছে নদী ভাঙন। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে দেয়া হচ্ছে শুকনো খাবার ও নগদ টাকা।জামালপুরে বন্যায় পানি নেমে যাওয়ায় ঘরবাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় ব্যস্ত সময় পার করছেন দুর্গত এলাকার মানুষজন।
Leave a Reply