মৃণাল চৌধুরী সৈকত
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে টঙ্গী অঞ্চলের দুই ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আবুল হোসেন এবং মো. গিয়াস উদ্দিন সরকারের নেতৃত্বে নিজ নিজ এলাকায় চলমান ভয়াবহ এডিস মশা ডেঙ্গু’র উপদ্রব থেকে জনসাধারণকে রক্ষার্থে এবং তাদের মধ্যে জন-সচেনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিয়মিত প্রচার-প্রচারণাসহ প্রতিটি মহল্লা, বাসা-বাড়িসহ আনাচে-কানাচে প্রতিনিয়ত ‘ফগার’ মেশিন দিয়ে ঔষধ ছিটানোসহ বিভিন্ন কার্যকম পরিচালনা করায় স্থানীয় জন-সাধারণ স্বস্তির নি:শ্বাস নিচ্ছে বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।
দেশব্যাপী কোভিড-১৯ ‘করোনা’ ভাইরাসের ভয়বহতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জন-সচেনতার অভাবে এডিস মশা ডেঙ্গুর পার্দুভাব দেখা দেয়ায় শিশু-কিশোর, বৃদ্ধ-বর্ণিতা, নারী-পুরুষ অনেকটা আতংকের মধ্যে জীবন যাপন করছে। সম্প্রতি টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর ভয়াবহ প্রভাব বিস্তার করেছে বলেও বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশ।
অপরদিকে সিটি কর্পােরেশনের টঙ্গী অঞ্চলের ৫৫,৫৬,৫৭ নং ওয়ার্ড এলাকায় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে চাকুরীজীবি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে মিল কলকারখানার সংখ্যা বেশী এমনকি বস্তিসহ আবাসিক এলাকায় জন-বসতি কয়েকগুন বেশী হওয়ার ফলে কর্মজীবি নিম্ম ও নিম্ম মধ্যবিত্ত আয়ের শ্রমজীিব মানুষের মধ্যে কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস বা ডেঙ্গু সংক্রান্ত জন-সচেনতা অনেকটাই কম লক্ষ্য করা যায়। এছাড়াও এলাকায় অপরছিন্ন নমর্িাণাধীন ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রাস্তা-ঘাটে জলাবদ্ধতা এমন কি ঘন-বসতি এলাকা হওয়ার ফলে অত্র এলাকায় কোভিড-১৯ ‘করোনা ভাইরাস’ এবং ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যাও বেশ কয়েকগুন বলে দাবী স্থানীয়দের।
২০২০ সালের মার্চ থেকে শুরু হওয়া করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর বা প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জন-প্রতিনিধিরা, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও সমাজ-সেবামূলক সংগঠনের নেতাকর্মী জীবনের ঝুকি নিয়ে রাত-দিন সরকারের দেয়া এবং ব্যক্তিগত ভাবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ তথা করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে জন-সচেনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করেছেন নি:স্বার্থ ভাবে। চলমান মহামারী করোনা ভাইরাস সম্পূণরুপে নিয়ন্ত্রনে আসতে না আসতেই দেশব্যাপী ভয়াবহ ডেঙ্গুর পার্দুভাব দেখা দেয়। এমতাবস্থায় গাজীপুর সিটি কর্পোরশন কর্তৃপক্ষ মহানগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যত ব্যবস্থা গ্রহন করার পর সিটি কর্পোরেশনের ৫৫ ও ৫৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আবুল হোসেন এবং মো. গিয়াস উদ্দিন সরকারের নেতৃত্বে শুরু হয় এডিস মশা নিধন ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান। আর সেই সাথে চলে জন-সচেনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচার-প্রচারণা। প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন পাড়া বা মহল্লায় ‘ফগার’ মেশিন দিয়ে দেয়া হচ্ছে মশা নিধন ও নিয়ন্ত্রণ ঔষধ। সেই সাথে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নেয়া হচ্ছে এডিস মশার উৎপত্তিস্থল সৃষ্টি হচ্ছে কি না ? এমতাবস্থায় স্থানীয় এই দুই কাউন্সিলর প্রসংশা কুঁড়িয়েছেন পুরো টঙ্গী অঞ্চলসহ ৫৫ ও ৫৭ নং ওয়ার্ডে। এমনটাই দাবী করছেন স্থানীয় ওয়ার্ড বাসিন্দারা।
৫৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো.আবুল হোসেন বলেন, এ ওয়ার্ডে বসবাসরত সকলের প্রতি আহবান রইলো,ডেঙ্গু চিকনগুনিয়া রোগের বাহক এডিশ মশা বংশ বিস্তার রোধে সকলেই নিজ নিজ বাড়ি, বাড়ির আঙ্গিনা ও আশপাশ নিজ নিজ দায়িত্বে পরিস্কার পরিছন্ন রাখুন, ডাবের খোসা, পুরাতন টায়ার, ফুলের টপ, পরিত্যক্ত বোতল, বালতি, চৌবাচ্চা,বাধরুম, ফ্রিজ, প্লাষ্টিকের ড্রাম পরিস্কার রাখুন, কোন প্রকার পানি জমতে দেবেন না। মহামারী কোভিড-১৯ ‘করোনা’ থেকে নিজে বাঁচতে এবং অন্যকে সরকারের নির্দেশনা মেনে চলুন, নিজেকে বাঁচান, অন্যকে বাঁচেিয় রাথতে সহায়তা করুন। আপনার পরিবার পরিজন সুরক্ষিত রাখুন।
৫৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. গিয়াস উদ্দিন সরকার বলেন, ওয়ার্ডবাসীর প্রতি আমার আহবান থাকবে, নিজ বাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিস্কার পরিছন্ন রাখি, সবাই মিলে সুস্থ থাকি। ডেঙ্গু এবং করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে হলে আমাদের অবশ্যই সর্তক থাকতে হবে। সরকারী বিধি নিষেধ মেনে চলতে হবে।
Leave a Reply