সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন

তিতাসে নাতিনের সাথে পরকিয়া,নানাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা

রিপোর্টারের নাম
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৯০ বার

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় নাতিনের সাথে নানার পরকিয়ার অভিযোগে নানাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার উজিরাকান্দি গ্রামের মৃত আইয়ুব আলী ভূইয়ার ছেলে মো. জিল্লু ভূইয়া(৮০) উপর।অনুসন্ধানে জানা যায় জিল্লাু মিয়ার এক মাত্র মেয়ে ডলিকে বিয়ে দেন একই উপজেলার রায়পুর গ্রামের আপন বাগিনা মোশারফের নিকট। ডলির বড় মেয়ে রোজিনা তার নানা জিল্লু মিয়ার সাথে পরকিয়ার কারনে পরপর তিনটি সংসার ভেঙ্গে যায় এমন অভিযোগ তুলে জিল্লুর মেয়ে ডলি ও তার স্বামী মোশারফ। এই অভিযোগের উপর ভিত্তি করে আগস্ট মাসের ২৪ তারিখে উজিরাকান্দি গ্রামের জামান সরকারের বাড়িতে স্থানীয় মেম্বার ইয়াছিনের সভাপতিত্বে বিচার শালিস বসায় গ্রামবাসী। বিচারে কোনো প্রকার স্বাক্ষী প্রমান ছাড়াই বিচারের সভাপতি উয়াছিনের নির্দেশে জুড়িবোর্ড গঠন করে জিল্লু মিয়ার উপর দুই লাখ টাকা রায় আনে বাচ্চু,ভিপু,অহিদ,ভেনজির,খোকন ও আলাউদ্দিন। চলতি মাসের ২৪ তারিখে টাকা পরিশোধের কথা রয়েছে।

এবিষয়ে ডলি ও তার স্বামী মোশারফ বলেন আমার মেয়ে রোজিনার সাথে জিল্লু মিয়ার পরকিয়া রয়েছে এবং তাদের দুজনকে অনৈতিক কাজেও আমরা দেখেছি এই কারনে পরপর তিনটি সংসার ভেঙ্গে যায় আমার মেয়ের। তাই আমি গ্রামবাসীর কাছে বিচার চেয়েছি,তাই গ্রামবাসী আমার বিচার করে দিয়েছে,্এই মাসের ২৪ তারিখে টাকা দেওয়ার কথা। শালিস বিচারের সভাপতি ইয়াছিন মেম্বার বলেন জিল্লু মিয়ার মেয়ে ডলি ও তার স্বামী মোশারফ গ্রামবাসীর নিকট বিচার দাবি করে জিল্লু মিয়া  তার নাতিনের সাথে পরকিয়া ও অনৈতিক সম্পর্কের কারনে মেয়ে রুজিনার পরপর তিনটি সংসার ভেঙ্গে যায়,তাদের অভিযোগ পেয়ে ২৪ আগস্ট জামান সরকারের বাড়িতে আমার সভাপতিত্বে গ্রামবাসী বিচার করে এবং জুরিবোর্ডের মাধ্যমে বাচ্চু,ভিপু,অহিদ,ভেনজির,খোকন ও আলাউদ্দিন দুই লাখ টাকা জরিমানার রায় আনে।জিল্লু মিয়ার ছোট ভাই মোবারক ও আহসান হাবিব বলেন আমাদের বড় ভাই জিল্লু মিয়া তার মেয়ে ডলি ও তার স্বামী মোশারফের নিকট টাকা পায় সেই টাকা আত্মসাৎ করতে বাপের নামে মিথ্যা অভিযোগ তুলে মেয়ে ও মেয়ের জামাই বিচার শালিসের আয়োজন করে এবং বিচারকরা কোনো প্রকার স্বাক্ষী  প্রমান ছাড়াই একতরফা বিচার করে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে। আমরা এই বিচার মানিনা প্রয়োজনে আইনের আশ্রয় নিবো।এবিষয়ে জিল্লু মিয়ার নিকট জানতে চাইলে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন এবং বলেন বাবারে আমার বর্তমান বয়স প্রায় ৮০ বছর,আমি ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত সময় সময়ে আমার পস্রাব পড়ে কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। আমার পাওনা টাকা আত্মসাৎ করার জন্য আমার মেয়ে ও মেয়ের জামাই এই মিথ্যা অভিযোগ তুলে গ্রামে আমকে হেয় করেছে এবং গ্রামের লোকজন একতরফা বিচার করে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে। এখন আর আমি দুনিয়াতে না থাকলেও সারে।
এবিষয়ে জানতে জগতপুর ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান এমন ধরনের বিচাররে আমি কিছুই জানিনা এবং আমাকে জানায়নি।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories