শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীতে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে বর্জ্য অপসারণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন ছেলে কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে চান তাহসিফের বাবা কে এম এনায়েতুল করিম টঙ্গীর মাজারবস্তিতে পাওয়া বাইক তাহসিফের কি না যাছাই করছে পুলিশ নওগাঁর বাকি ৫ জনের মরদেহ দেশে আসছে শনিবার সুষ্ঠু নির্বাচনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করছে জামায়াত: রিজভী সরকারি বরাদ্দ পাওয়া বাসা ও ফ্ল্যাট বহিরাগতদের মাঝে ভাড়া বন্ধে কড়া নির্দেশনা সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও জ্বালানি স্থাপনায় ৬ দফায় হামলার দাবি হুথিদের ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় নিহত-২০ ইরানকে ঘিরে সামরিক তৎপরতা, ইসরায়েলে মার্কিন পরিবহন বিমানের আনাগোনা

সরকারি বরাদ্দ পাওয়া বাসা ও ফ্ল্যাট বহিরাগতদের মাঝে ভাড়া বন্ধে কড়া নির্দেশনা

মৃণাল চৌধুরী সৈকত
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ বার

সরকারি বাসা বা ফ্ল্যাট বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তিরা কোনো অবস্থাতেই পুরো বাসা কিংবা এর কোনো অংশ অন্য কারও কাছে ভাড়া বা সাবলেট দিতে পারবেন না-এমন কঠোর নির্দেশ জারি করেছে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর। এই নির্দেশ অমান্য করলে কোনো নোটিশ ছাড়াই বরাদ্দ বাতিলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।২৯ অক্টোবর সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক মো. জাহিরুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন সরকারি আবাসন পরিদর্শনে দেখা গেছে-বরাদ্দ পাওয়া কতিপয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী তাদের বরাদ্দকৃত বাসা বা ফ্ল্যাটের এক বা একাধিক কক্ষ অথবা পুরো বাসাটিই অন্যদের কাছে ভাড়া বা সাবলেট দিয়েছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ‘বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
যেসব সরকারি চাকরিজীবী ইতোমধ্যে তাদের বাসা বা ফ্ল্যাটের কোনো অংশ বা পুরোটা সাবলেট দিয়েছেন, তাদের আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটিয়া বা সাবলেটগ্রহীতাকে সরিয়ে দিয়ে নিজের বরাদ্দকৃত বাসায় বসবাসের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়, নির্ধারিত সময়ের পর সরেজমিন পরিদর্শনে কোনো বাসা সাবলেট দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী নতুন করে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই সরাসরি বরাদ্দ বাতিল করা হবে। এর পাশাপাশি অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপ নিতে ‘বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২’-এর ১৪(৩) বিধি অনুযায়ী তাঁর নিজ দপ্তরপ্রধান ও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অনুরোধ জানানো হবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories