নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার ধর্ষণ মামলার দুই আসামি মো.জুয়েল (২৬) ও মো.দেলোয়ার হোসেন (৩০) পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পলায়নের ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্তকৃত পুলিশ সদস্যরা হলেন- নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার উপ-পরিদর্শক এসআই ফারুক হোসেন, কনস্টেবল আব্দুল কুদ্দুস ও নারী কনস্টেবল আসমা আক্তার। এছাড়া পরিদর্শক (তদন্ত) জিসান আহম্মেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চট্টগ্রাম রেঞ্জ অফিসকে অবহিত করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার (১৮ আগস্ট) রাতে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) দীপক জ্যোতি খীসাকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার ধর্ষণ মামলার দুই আসামি পলায়নের ৮ ঘণ্টা পর এক আসামি দেলোয়ারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার রাত ১২টার দিকে ঢাকার কামরাঙ্গির চর থানা এলাকা থেকে কামরাঙ্গির চর থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে বর্তমানে কামরাঙ্গির চর থানা হেফাজতে রয়েছে। অপর পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। ধর্ষণ মামলার দুই আসামি পলায়নের ঘটনায় মুন্সিগঞ্জ জেলার গাজারিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত দেলোয়ার উপজেলার বগাদিয়া গ্রামের সওদাগর বাড়ির মৃত মো. আবদুল লতিফের ছেলে এবং পলাতক জুয়েল সোনাইমুড়ীর বাট্টা গ্রামের মুজামিয়া বেপারী বাড়ির মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে।
Leave a Reply