সুন্দরবনে সক্রিয় পাঁচটি জলদস্যু বাহিনীর ৫৯ সদস্য র্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। একই সময়ে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৪১ রাউন্ড তাজা গুলি ও ১৪টি খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। র্যাব মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সুন্দরবন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২৫ লাখ মানুষের জীবিকার অন্যতম প্রধান উৎস। কিন্তু আশির দশক থেকে এই বন ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় জলদস্যুতা ও বনদস্যুতার কারণে জেলে, মৌয়াল, বাওয়ালি এবং অন্যান্য বনজীবী নির্যাতন, অপহরণ ও চাঁদাবাজির শিকার হয়ে আসছেন।
দস্যুতা বন্ধে র্যাব, কোস্ট গার্ড, স্থানীয় প্রশাসন, নৌ পুলিশ ও বন বিভাগের সমন্বয়ে ‘অপারেশন রি-স্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ পরিচালিত হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গত ২ মার্চ থেকে র্যাব ধারাবাহিক অভিযান শুরু করে। অভিযানের চাপে ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যয়ে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সদস্যরা আত্মসমর্পণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এর ধারাবাহিকতায় গত ৩১ আগস্ট পাঁচটি বাহিনীর ৫৯ সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। তাদের মধ্যে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন, আফজাল ওরফে দুলাভাই বাহিনীর ১৫ জন, আফতাব বাহিনীর ৮ জন এবং মিজান বাহিনীর ৭ জন রয়েছেন। আত্মসমর্পণকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
Leave a Reply