সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির সেপ্টেম্বরে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম স্থানীয় সরকার নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ স্পিকারের সঙ্গে আইপিইউ মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপের সাক্ষাৎ ফেডারেশন কাপ তায়কোয়ানডোয় যৌথ চ্যাম্পিয়ন সেনাবাহিনী-বিজিবি গাইবান্ধা, রংপুর ও কুড়িগ্রামে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানে কোনো ঝুঁকি দেখছে না ঢাকা : হুমায়ুন চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে রেলওয়ের প্রচারণা

খেলাপি ঋণ কমছে: ড. তিতুমীর

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ বার

দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, চলতি বছরের মার্চ মাসে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৬ শতাংশে। এতে আশার আলো দেখা যাচ্ছে। তবে খেলাপি ঋণ আরও কমানো প্রয়োজন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ‘ফরেনসিক অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ফ্রড ইনভেস্টিগেশন’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. তিতুমীর বলেন, ২০২৪ সালে খেলাপি ঋণ ছিল ১১ শতাংশ। পরে, ২০২৫ সালের জুন মাসে ফরেনসিক অডিটের মাধ্যমে দেখা যায়, খেলাপি ঋণের অনুপাত ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ।
তিনি বলেন, ‘তার মানে যারা বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন, তারা সহযোগিতা করেছেন এটাকে ঢেকে রাখার জন্য। এই হিসাবটাও সঠিক কিনা তা নিশ্চিত নয়। আসলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।’

ড. তিতুমীর বলেন, চলতি বছরের মার্চ মাসে খেলাপি ঋণের অনুপাত কমে দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৬ শতাংশে।
তিনি বলেন, ‘আমরা একটা আশার আলো দেখতে পাচ্ছি যে, অন্তত এই খেলাপি ঋণের অনুপাত হ্রাস পাচ্ছে। তবে আরও বেশি হ্রাস পাওয়া দরকার।’
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, বাজারকে বাজারের মতো কাজ করতে দেওয়া হয়নি।’ বাজারকে বাজারের নিয়মে কাজ করতে দেওয়ার ক্ষেত্রে বাজারভিত্তিক নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, আপনি যদি দেখেন, জমির দামের ক্ষেত্রে তাই করা হচ্ছে-যেকোনো অ্যাসেট ভ্যালুয়েশনের ক্ষেত্রে সার্ভেয়াররা তাই করছে। আপনার অডিটররা তাই করছেন। চার্টার্ড সেক্রেটারিরা তাই করছেন। তার মানে এই পুরো প্রক্রিয়ায় একটা কলিউশন আছে।
ফরেনসিক অডিটিং এবং জালিয়াতি প্রতিরোধের গুরুত্ব তুলে ধরে ড. তিতুমীর বলেন, কোনো বিষয়ে মধ্যস্থতা বা আরবিট্রেশনে যেতে হলে প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি থাকা দরকার।
তিনি বলেন, ‘যদি মধ্যস্থতায় (আরবিট্রেশনে) যেতে হয়, তাহলে আরবিট্রেশনে যাওয়ার জন্য আমাদের আসলে দরকার হচ্ছে এই প্রমাণ। যে প্রমাণটা আপনার আরবিট্রেশনে ঠিকমতো কাজ করবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের অধ্যাপক ড. রিয়াজুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories