বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ছয় পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত, প্রজ্ঞাপন জারি তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হবে: প্রতিমন্ত্রী হালাল অর্থনীতি হতে পারে নতুন সম্ভাবনার বড় ক্ষেত্র : বাণিজ্যমন্ত্রী জুলাই মাসে বিজিবি’র অভিযানে জব্দ করা হলো যেসব চোরাচালানি পণ্য আরাফাত রহমান কোকো রাজনীতির সঙ্গে নয় তিনি ছিলেন আপাদমস্তক একজন ক্রীড়া সংগঠক : রিজভী আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব: তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ: টেস্টের আগের দিন একাদশ জানিয়ে দিল অস্ট্রেলিয়া বন্ধুত্বের গান নিয়ে আসছেন এলিটা ও কনা হলিউডের ছবিতে মুখ্যচরিত্রে সায়নী গুপ্ত!

রামপুরা হত্যাকাণ্ডের রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে : চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • ২৪ বার

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের মাধ্যমে শহিদ ও আহতদের পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে।
রবিবার (২৮ জুন) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এটি তৃতীয় রায়। রামপুরায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের তৎকালীন এডিসি রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার তৎকালীন ওসি মশিউর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া, এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং এসআই তরিকুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে একটি বেতার বার্তার মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের পায়ে গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে বুকে ও মাথায় গুলি চালানো হয়। ১৯ জুলাই রামপুরায় নির্বিচারে গুলিবর্ষণের ঘটনায় নিহত হন মায়া ইসলাম ও নাহিদ ইসলাম এবং গুরুতর আহত হন আমির হোসেন।
তিনি আরও বলেন, কার্নিশে ঝুলে থাকা আমির হোসেনকে গুলি করার বিষয়টি এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার তার জবানবন্দিতে স্বীকার করেছিলেন। সেই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতেই একটি অভিযোগে তার অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। তবে অপর্যাপ্ত প্রমাণের কারণে বাকি দুটি অভিযোগ থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন।
রায়ের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, এটি একটি যথাযথ ও ন্যায়সঙ্গত রায়। এই রায়ের মাধ্যমে শহিদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। একই সঙ্গে তিনি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories