বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হলো বিপর্যস্ত কিউবা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৫১ বার
??????????????????????????????????????????????????

তীব্র জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত কিউবা অবশেষে দ্বিপাক্ষিক বিরোধ মেটাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ কানেল
কিউবাজুড়ে সম্প্রচারিত ওই ভাষণে দিয়াজ-কানেল বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান খুঁজতেই এই আলোচনা শুরু হয়েছে।
গত কয়েক মাস ধরে কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের ওপর চাপ বাড়িয়ে আসছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। দ্বীপটিতে তেল সরবরাহ সীমিত করা হয়েছে এবং দেশটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ‘এটি বন্ধুত্বপূর্ণ দখলও হতে পারে, আবার নাও হতে পারে।
ওয়াশিংটনের ‘আমেরিকান ইউনিভার্সিটি’র গবেষক ও অর্থনীতিবিদ রিকার্ডো তোরেস বলেন, ট্রাম্পের চাপ ও কিউবার ব্যাপক জ্বালানি সংকটই হাভানাকে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য করেছে।
তার ভাষায়, ‘দেশটি কেবল টিকে থাকার চেষ্টা করছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাট, খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানির তীব্র সংকট চলছে। কিউবার আর কোনো বিকল্প নেই, তাদের আলোচনায় বসতেই হবে।’
কিউবার বর্তমান অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে মার্কিনিদের হাতে ভেনেজুয়েলা পতনের পর। দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে আনার পর থেকে কিউবায় তাদের তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া অন্য কোনো দেশ কিউবাকে তেল সরবরাহ করলে তাদের ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি আগেই দিয়ে রেখেছিলেন ট্রাম্প।
প্রায় ৭০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবা একে অপরের কট্টর প্রতিদ্বন্দ্বী, যার সূচনা হয় ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে বিপ্লবের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত শাসক ফুলজেনসিও বাতিস্তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর।’ ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিতে কিউবার প্রধান সমস্যা হলো দীর্ঘদিনের কমিউনিস্ট আমলাতন্ত্র, যা আধুনিক যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি। অন্যদিকে কিউবার কর্মকর্তারা দ্বীপটির অর্থনৈতিক দুরবস্থার জন্য ৬০ বছরেরও বেশি পুরোনো মার্কিন বাণিজ্য অবরোধকেই দায়ী করছেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories