মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসিতে জামায়াতের ৯ দফা দাবি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, সংসদীয় গণতন্ত্রও বিএনপির হাত ধরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাবা-মায়ের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা সরকার বসে নেই, দ্রুত সব সংকটের সমাধান হবে: রিজভী নবম জাতীয় বেতন স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর : নাসিমুল গনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের ফুলেল শুভেচ্ছা শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী আগামী রমজানের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ মমতা ব্যনার্জির ভাইঝির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সেমিফাইনালের আগে ভারতের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা ‘শিশির

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৭ বার
???????????????????????????????????????????????

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের বহুল প্রতীক্ষিত লড়াইয়ে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও ইংল্যান্ড। সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দারুণ জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় ম্যাচটিতে নামছে ভারত, অন্যদিকে টুর্নামেন্টের শুরুতে কিছুটা ধাক্কা খেলেও ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরেছে ইংল্যান্ড।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের উইকেট ঐতিহ্যগতভাবেই ব্যাটারদের জন্য সহায়ক। এবারও তার ব্যতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে ম্যাচের শুরুতে বোলারদের জন্য কিছু সুযোগ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দ্বিতীয় সেমিফাইনালের এই পিচে এবার হালকা সবুজ ঘাস রাখা হয়েছে, যাতে আর্দ্রতা ধরে রাখা যায়। মূলত এটি লাল মাটির পিচ হওয়ায় ঘাসের স্তর আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং দ্রুত শুকিয়ে যাওয়া ঠেকায়।
ম্যাচের শুরুতে পেস বোলাররা অতিরিক্ত বাউন্স ও সিম মুভমেন্ট পেতে পারেন। বিশেষ করে পাওয়ারপ্লেতে ওপেনারদের জন্য এটি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তবে ম্যাচ যত গড়াবে, উইকেট ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হয়ে উঠবে। তখন স্পিনাররা কিছুটা গ্রিপ ও টার্ন পেতে পারেন, বিশেষ করে যদি ঘাস কমে যায় বা পিচ কিছুটা রুক্ষ হয়ে ওঠে।
সব মিলিয়ে উইকেটটি ব্যাটিং সহায়কই থাকার সম্ভাবনা বেশি। ফলে ২০০ রানের বেশি স্কোরও দেখা যেতে পারে। তবে ম্যাচের দ্বিতীয় ভাগে শিশির (ডিউ) বড় ভূমিকা রাখতে পারে। ভারতের দুশ্চিন্তা এটি নিয়েই।
ভারতের বোলিং কোচ মরনে মরকেল বলেছেন, ‘শিশির সব সময়ই বড় একটি উদ্বেগের বিষয়। তবে এটি এমন কিছু যা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। টসের ওপরই অনেকটা নির্ভর করে। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সাধারণত অতিরিক্ত বাউন্স থাকে।’
মরকেল আরও বলেন, ‘ব্যাটাররা এখানে বাউন্সের ওপর ভরসা করে লাইনের ওপর দিয়ে শট খেলতে পারে। তবে এতে বোলারদের জন্যও সুযোগ তৈরি হয়। এখানে পার্থক্যটা খুবই কম। মাঠ ছোট হওয়ায় বল দ্রুত বাউন্ডারিতে চলে যায়।’
ভারতের বোলিং কোচের মতে, ‘প্রতিটি ওভারে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে এবং প্রতিটি বলের জন্য প্রতিযোগিতা করতে হবে। অনেক সময় ব্যাটারের শক্তিই তার দুর্বলতা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক না হয়ে আক্রমণাত্মক থাকাই ভালো, কারণ এখানেই সুযোগ তৈরি হতে পারে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories