টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের বহুল প্রতীক্ষিত লড়াইয়ে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও ইংল্যান্ড। সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দারুণ জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় ম্যাচটিতে নামছে ভারত, অন্যদিকে টুর্নামেন্টের শুরুতে কিছুটা ধাক্কা খেলেও ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরেছে ইংল্যান্ড।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের উইকেট ঐতিহ্যগতভাবেই ব্যাটারদের জন্য সহায়ক। এবারও তার ব্যতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে ম্যাচের শুরুতে বোলারদের জন্য কিছু সুযোগ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দ্বিতীয় সেমিফাইনালের এই পিচে এবার হালকা সবুজ ঘাস রাখা হয়েছে, যাতে আর্দ্রতা ধরে রাখা যায়। মূলত এটি লাল মাটির পিচ হওয়ায় ঘাসের স্তর আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং দ্রুত শুকিয়ে যাওয়া ঠেকায়।
ম্যাচের শুরুতে পেস বোলাররা অতিরিক্ত বাউন্স ও সিম মুভমেন্ট পেতে পারেন। বিশেষ করে পাওয়ারপ্লেতে ওপেনারদের জন্য এটি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তবে ম্যাচ যত গড়াবে, উইকেট ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হয়ে উঠবে। তখন স্পিনাররা কিছুটা গ্রিপ ও টার্ন পেতে পারেন, বিশেষ করে যদি ঘাস কমে যায় বা পিচ কিছুটা রুক্ষ হয়ে ওঠে।
সব মিলিয়ে উইকেটটি ব্যাটিং সহায়কই থাকার সম্ভাবনা বেশি। ফলে ২০০ রানের বেশি স্কোরও দেখা যেতে পারে। তবে ম্যাচের দ্বিতীয় ভাগে শিশির (ডিউ) বড় ভূমিকা রাখতে পারে। ভারতের দুশ্চিন্তা এটি নিয়েই।
ভারতের বোলিং কোচ মরনে মরকেল বলেছেন, ‘শিশির সব সময়ই বড় একটি উদ্বেগের বিষয়। তবে এটি এমন কিছু যা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। টসের ওপরই অনেকটা নির্ভর করে। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সাধারণত অতিরিক্ত বাউন্স থাকে।’
মরকেল আরও বলেন, ‘ব্যাটাররা এখানে বাউন্সের ওপর ভরসা করে লাইনের ওপর দিয়ে শট খেলতে পারে। তবে এতে বোলারদের জন্যও সুযোগ তৈরি হয়। এখানে পার্থক্যটা খুবই কম। মাঠ ছোট হওয়ায় বল দ্রুত বাউন্ডারিতে চলে যায়।’
ভারতের বোলিং কোচের মতে, ‘প্রতিটি ওভারে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে এবং প্রতিটি বলের জন্য প্রতিযোগিতা করতে হবে। অনেক সময় ব্যাটারের শক্তিই তার দুর্বলতা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক না হয়ে আক্রমণাত্মক থাকাই ভালো, কারণ এখানেই সুযোগ তৈরি হতে পারে।
Leave a Reply