টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড। আগামী রোববার আহমেদাবাদের অনুষ্ঠিত ফাইনালে নিউজিল্যান্ড মুখোমুখি হবে বৃহস্পতিবারের (৫ মার্চ) সেমিফাইনালে জয়ী দলের। এই ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও ইংল্যান্ড।
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ভারত ও ইংল্যান্ড পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে। যেখানে ৩–২ ব্যবধানে এগিয়ে আছে ভারত। তবে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকেই এবার এগিয়ে রেখেছেন কেভিন পিটারসেন, মোহাম্মদ আমির ও রশিদ লতিফের মোত সাবেক ক্রিকেটাররা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে পিটারসেন স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন, ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড। পিটারসেন লেখেন, ‘রোববার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ড বনাম ইংল্যান্ড; দারুণ একটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে।
এদিকে, পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ আমিরের মতেও এগিয়ে ইংল্যান্ড। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ম্যাচটি বড় রানের হবে বলেও মনে করেন তিনি। আমিরের মতে, ইংল্যান্ড যদি দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করে, তাহলে তাদের জয়ের সম্ভাবনা আরও বেশি।
একটি টিভি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘ভালো একটি উইকেটে ম্যাচটি হতে যাচ্ছে। রশিদ (লতিফ) ভাই যেমন বলেছেন, ইংল্যান্ড যদি দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করে, তাহলে তাদের সুযোগ বেশি থাকবে। কারণ মুম্বাইয়ে সাধারণত হাই-স্কোরিং ম্যাচ হয়।’
ভারতের ব্যাটিং নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আমির। তার মতে, দলে নিয়মিত পারফরমারের অভাব রয়েছে, ‘ভারতের হয়ে এক–দুইজন ব্যাটারই নিয়মিত রান করছে। বাকিদের পারফরম্যান্স ধারাবাহিক নয়। ইশান কিষাণ শুধু একটি ম্যাচে ভালো করেছে। অভিষেক শর্মা ফর্মে নেই। তিলক ভার্মা বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি। সুপার এইট থেকে এখন পর্যন্ত সূর্যকুমার যাদবও তেমন কিছু করতে পারেনি।
তবে সাঞ্জু স্যামসন ও জাসপ্রিত বুমরাহর পারফরম্যান্সের প্রশংসাও করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত আমিরের মন্তব্য, ‘এই দলটি যে আধিপত্য দেখাবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। আমার মতে, এই ম্যাচে ইংল্যান্ডই ফেভারিট।
পিটারসেন-আমিরের মতো একই রশিদ লতিফের ভবিষ্যদ্বাণী। পাকিস্তানের সাবেক এই ক্রিকেটার একটি পাকিস্তানি টিভি অনুষ্ঠানে বলেন, ইংল্যান্ডই ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে উঠবে। তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ড কঠিন কন্ডিশন থেকে এসেছে এবং তাদের ২–৩ জন ব্যাটার ইতোমধ্যে সফল হয়েছে। তাদের মিডল অর্ডারও শক্তিশালী।
রশিদ লতিফ আরও বলেন, ‘ইংল্যান্ড এই কন্ডিশন খুব ভালোভাবে জানে। ইংল্যান্ডের একজন খেলোয়াড়ও যদি বড় ইনিংস খেলতে পারে, তাহলে ভারতের জন্য ম্যাচ জেতা কঠিন হয়ে যাবে।’
Leave a Reply