কানাডার পর এবার দেশের মাটিতে অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছেন আন্তর্জাতিক ইভেন্ট অর্গানাইজার তানভীর আহমেদ। রং ইন্টারন্যাশনাল স্টার অ্যাওয়ার্ড নামের এই অনুষ্ঠানের বিস্তারিত জানাতে গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে ঢাকার অভিজাত এক হোটেলে হয়েছে ঘরোয়া আয়োজন। যেখানে নুসরাত ফারিয়া, মেহজাবীন চৌধুরী ও নীরবসহ এসেছিলেন চলচ্চিত্র ও নাটকের অভিনয়শিল্পীদের পাশাপাশি সংগীতের শিল্পীরাও।
তানভীর আহমেদ জানান, ২০১৭ সাল থেকেই কানাডায় বিভিন্ন শো আয়োজনের পাশাপাশি তারকাদের সম্মাননা জানিয়ে আসছে রং প্রোডাকশন। এবার আর কানাডা নয়, দেশেই বড় পরিসরে আন্তর্জাতিক মানের অ্যাওয়ার্ড শোর আয়োজন করার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। তার বিশ্বাস, এ যাবৎকালে যা হয়নি, তা-ই হবে রং ইন্টারন্যাশনাল স্টার অ্যাওয়ার্ড আসরে।
তিনি বলেন, এখানে সবাইকে এক করার কারণ হল, আমি ২০২৫ সালে একটি রিজভা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডের আয়োজন করেছি। এটা প্রতি বছর এক এক দেশে যাবে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬-এ বাংলাদেশে করতে চাচ্ছি। ২০২৭ সালে লন্ডনে-এর আয়োজন করা হবে।
তানভীর আহমেদ বলেন, এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে গেট টুগেদার করা, আমি কে? রঙ প্রোডাকশন কে? আমার আর্টিস্টদের সঙ্গে কীরকম কানেকশন, সেটা দর্শকদের সামনে তুলে ধরা।
আয়োজনে এসে রিজভা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডকে শুভ কামনা জানান তারকারা। চলতি বছরের শেষভাগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে রং ইন্টারন্যাশনাল স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫।
এর আগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজক বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত তরুণ সংগঠক ও ব্যবসায়ী তানভীর আহমেদ চ্যানেল 24’ কে বলেন, নানা ধর্ম-বর্ণ ও সংস্কৃতির মিলনভূমি উত্তর আমেরিকার কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র। বিভিন্ন সংস্কৃতির মিলনভূমিতে যেন বাংলা সংষ্কৃতি স্বমহিমায় অবস্থান করে নিতে পারে, সেই জন্যই আমি প্রতিবছর একের পর এক এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করছি। পাশাপাশি সংস্কৃতি অঙ্গনের গায়ক-গায়িকা, অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বড় বাজার তৈরির কাজও করছি।
তানভীর আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টজনসহ গুণীদের কানাডায় তুলে ধরে পুরস্কৃত করছি। গায়ক-গায়িকা, অভিনেতা-অভিনেত্রীসহ বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের জনপ্রিয় শিল্পী-সাহিত্যিকদের অ্যাওয়ার্ডও তাদের হাতে তুলে দিচ্ছি। এ ছাড়াও বাংলাদেশের মানুষের সৃজনশীল কাজের বিকাশ ও প্রসারে চেষ্টা চালাচ্ছি।
উল্লেখ্য তানভীর আহমেদের এসব কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে উত্তর আমেরিকার কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে। ২০১০ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে এসব কাজ করছেন তিনি। ইতোমধ্যে তিনি বাংলাদেশের রুনা লায়লা, বালাম, হাবিব, প্রিতম হাসান, কেয়া পায়েল, বিদ্যা সিনহা মীম, সাদিয়া ইসলাম মৌ, মেহজাবীন চৌধুরী, পারসা ইভানা, ব্যাচেলর পয়েন্টের কাবিলা, মিশু সাব্বির, পাকিস্তানের আতিফ আসলাম, ভারতের শ্রেয়া ঘোষাল, সুনিধি চৌহানকে নিয়ে একাধিক অ্যাওয়ার্ড ও সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় এবার যোগ হয় ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত সংগীত শিল্পী কুমার শানু ও সাদনা সারগাম, যা ব্যাপক সাড়া ফেলেছে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশিসহ উপমহাদেশের বিভিন্ন জাতিবর্ণের মানুষের মধ্যে।
Leave a Reply