বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আদাবরে চাপাতি নিয়ে বাড়িতে হামলা: পুলিশি অভিযানে গুলিবিদ্ধ ২, গ্রেপ্তার ১০ ১২ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি আরব সদরপুরে ভ্যানের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে ১৩ বছরের কিশোরীর মৃত্যু মালয়েশিয়ায় ন্যূনতম মজুরি ২ হাজার রিঙ্গিত করার ভাবনা, শ্রমিক ইউনিয়নের দাবি ৩১০০ জীবনসঙ্গীকে বিদায় জানিয়ে অশ্রুসিক্ত মাহাথির: সত্তর বছরের পথচলার আবেগঘন সমাপ্তি নীরবে খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই ২৮ বাংলাদেশি কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়ন ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী আবারও কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা একাদশে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের সময় বাড়ল গাজীপুরের টঙ্গীতে জয় নামে এক যুবককে পরিকল্পিত ভাবে কুপিয়ে হত্যা

টাকার বিনিময়ে টঙ্গী বাজার কেন্দ্রীয় মন্দিরে নাবালিকার বিয়ে রেজিষ্ট্রির অভিযোগ

মৃণাল চৌধুরী সৈকত
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১৯ বার

টঙ্গী বাজারস্থ কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দিরের বিবাহ রেজিষ্টার ডা. শংকর দাস কর্তৃক মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র বিহীন আইন বর্হিভূত নাবালক ও নাবালিকা বিয়ে পড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, টঙ্গীর বউ বাজার এলাকার বিপ্লব সরকার এবং কল্পনা রানী সরকারের ছেলে কৌশিক কুমার সরকার (২১) গত ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং গাজীপুর সদর জয়দেবপুর থানাধীন উত্তর ছায়াবিথী এলাকার বাবু সঞ্জিত রায় তপন ও বিথী রায় এর মেয়ে দেবজ্যোতি রায় নিষ্ঠাকে (১৬) বাসা থেকে এনে স্থানীয় স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুভাষ সরকারের সার্বিক সহযোগীতায় ওইদিন রাতেই টঙ্গী বাজারস্থ কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দিরের বিবাহ রেজিষ্টার ডা. শংকর দাস কর্তৃক বিবাহ রেজিষ্ট্রি করানো হয়। বিবাহে মেয়ের জন্ম নিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয়পত্র না নিয়ে এবং বয়স যাচাই না করে কন্যার কাকা পরিচয়ে কন্যাদান করেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুভাষ সরকার। এ সময় ছেলের অভিভাবক হিসেবে ছিলেন, অর্জুন সরকার, অলক সরকার এবং মেয়ের পক্ষে কিশোর রায়।
একজন সরকারী অনুমোদনপ্রাপ্ত সনাতন (হিন্দু) বিবাহ রেজিষ্টার ডা. শংকর দাস মোটা অংকের টাকা নিয়ে বয়স যাচাই বাচাই বিহীন কি করে নাবালিকার বিবাহ রেজিষ্ট্রি করেন তা সনাতন (হিন্দু) র্ধমাম্বলীদের বোধগম্য নয়। এর পূর্বেও বিবাহ রেজিষ্টার ডা. শংকর দাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সনাতন (হিন্দু) ধর্ম্মাম্বলীগন উক্ত বিবাহ রেজিষ্টারের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনী ব্যবস্থা গ্রহনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ ব্যাপারে জানতে মেয়ের কাকা পরিচয়দানকারী সুভাষ সরকারেরর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আজ সকালের মধ্যে মেয়ের কাগজপত্র দেয়ার কথা ছিলো, দেয়নি। কেনো দেয়নি জানি না। এটা কোন বিষয় না, যা হয় হবে।

বিষয়টি জানতে সঞ্জিত রায় তপনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ ব্যাপারে আদালতে মামলা হয়েছে। আপাদত এর বেশী কিছু বলতে পারবো না।

এ বিষয়ে ডা. শংকর দাস বলেন, প্রথম আমি বিষয়টা সম্পর্কে অবগত ছিলাম না, রাত ২ টায় মেয়ের বাবার ফোন পেয়ে জানতে পারি। সুভাষ সরকার তার আত্মীয় পরিচয়ে মেয়েকে মন্দিরে নিয়ে আসে । তাছাড়া রেজিষ্টার সংক্রান্ত ফরমে স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে। আজ রোববার সকালে মেয়ের কাগজপত্র দেয়ার কথা ছিলো, কাগজপত্র না দেয়ায় রেজিষ্ট্রি সম্পন্ন হয়নি। তবে মন্দিরের পুরোহিত বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেছেন বলে শুনেছি।

মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি রঞ্জিত কুমার দাস বলেন, আমি ঘটনাটি আজ সকালে জেনেছি। তপনদার সাথে কথা হয়েছে। বিষয়টি মিমাংসার চেস্টা চলছে। সুভাষ সরকারকে বলা হয়েছে মেয়েকে এনে দেয়ার জন্য।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories