বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে হবে: প্রধানমন্ত্রী আজ মহানবমী পূঁজা, শুরু দেবীর বিদায়ের ক্ষণগণনা আমাকে দেখলে তো লোকে সংবিধান বলে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত ৯ মাসে মব সহিংসতায় নিহত-১৮৭ রংপুরে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে সৈয়দপুর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নাটোরে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে-১৪ প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে পাঁচ বিষয়ে জোর ইসরায়েলে নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ করবে মুসলিম ভোটাররা বিএনপি সরকারের ৮ মাসে পদ হারালেন ৩ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও এক এমপি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের পদত্যাগের পর স্ত্রীর রহস্যজনক ফেসবুক পোস্ট

অস্কারজয়ী নাট্যকার স্যার টম স্টপার্ড আর নেই

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৬ বার

ব্রিটেনের প্রখ্যাত নাট্যকার, বুদ্ধিদীপ্ততা ও গভীরতার জন্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত স্যার টম স্টপার্ড আর নেই। বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায় ৮৮ বছর বয়সে পরিবারের সদস্যদের সান্নিধ্যে তার মৃত্যু হয়েছে বলে তার এজেন্টরা নিশ্চিত করেছেন। ‘শেক্সপিয়ার ইন লাভ’-এর জন্য অস্কার ও গোল্ডেন গ্লোবজয়ী এই কিংবদন্তির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানী ক্যামিলা। তারা এক বিবৃতিতে বলেন, তিনি আমাদের সময়ের সেরা লেখকদের একজন। অসাধারণ প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও তিনি সবসময় বিনয়ী ছিলেন। যেকোনও বিষয়কে তিনি কলমের জাদুতে বদলে দিতে পারতেন।
‘রোজেনক্র্যান্টজ এবং গিল্ডেনস্টার্ন আর ডেড’ এবং ‘দ্য রিয়েল থিং’–এর মতো নাটকে দার্শনিক, রাজনৈতিক ও মানবিক বিষয়কে ব্যতিক্রমী রসিকতার সঙ্গে তুলে ধরেছেন স্টপার্ড। তার এজেন্সি ইউনাইটেড এজেন্টস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, টমকে মনে রাখা হবে তার কাজের উজ্জ্বলতা, মানবিকতা, বুদ্ধিদীপ্ততা এবং ইংরেজি ভাষার প্রতি অগাধ ভালোবাসার জন্য। রক আইকন স্যার মিক জ্যাগার তাকে বলেছেন নিজের প্রিয় নাট্যকার, আর প্রকাশনা সংস্থা ফেবার বুকস জানিয়েছে, গত ৬০ বছরের অন্যতম সেরা মেধাবী নাট্যকার ছিলেন টম স্টপার্ড।
১৯৩৭ সালে তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়ায় টমের জন্ম তখন তার নাম রাখা হয় টমাস স্ট্রাউসলার। নাৎসি দখলের আতঙ্কে পরিবার পালিয়ে যায় সিঙ্গাপুরে। সেখানে জাপানি বন্দিশিবিরে মারা যান তার বাবা। তিনি, তার মা ও ভাই জাপানি আক্রমণের আগেই অস্ট্রেলিয়া হয়ে ভারতে চলে আসেন। ভারতে তার মা বিয়ে করেন মেজর কেনেথ স্টপার্ডকে। এরপর তারা চলে যান ইংল্যান্ডে এবং সেখান থেকেই স্টপার্ডের নতুন পরিচয়, নতুন জীবন।
অন্যদিকে, ১৯৫৪ সালে ব্রিস্টলে সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন স্টপার্ড। পরে নাট্যসমালোচক হন এবং রেডিও–টিভির জন্য লেখালেখি শুরু করেন। কিন্তু তার বড় ব্রেক আসে ১৯৬০-এর দশকে। এডিনবরা ফ্রিঞ্জ ফেস্টিভ্যালে ‘রোজেনক্র্যান্টজ এবং গিল্ডেনস্টার্ন আর ডেড’ মঞ্চস্থ হওয়ার পরই বদলে যায় সবকিছু। নাটকটি পরে ন্যাশনাল থিয়েটার এবং ব্রডওয়েতেও সাড়া ফেলে। এরপর একের পর নাটক দিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। পেয়েছেন একাধিক পুরশকার যার মধ্যে অস্কার অন্যতম। পেয়েছেন একাধিক পুরশকার যার মধ্যে অস্কার অন্যতম। ১৯৯৭ সালে ব্রিটিশ রানীর কাছ থেকে নাইটহুড, ‘শেক্সপিয়ার ইন লাভ’–এর জন্য অস্কার এবং ২০২০ সালের ‘লিওপোল্ডস্ট্যাড’–এর জন্য অলিভিয়ার অ্যাওয়ার্ড ও চারটি টনি অ্যাওয়ার্ড

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories