শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত পূবাইলে অটোচালককে বাসা থেকে ডেকে রিসোর্টে নিয়ে মারধর স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ গাজীপুরে ঝুট ব্যবসা দখলে অস্ত্রের মহড়া, সাংবাদিককে রামদা দিয়ে কুপিয়ে আহত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী অলি আহমদের মনোনয়নপত্র ইসিতে জমা দুইশর আগেই অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করল বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ টেকসই গণতন্ত্রের জন্য ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনের দলগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রয়োজন : এ্যানি চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডনের জামিন নামঞ্জুর ইউটিউবে ‘রাগী’ নায়িকা মুনমুনের রাজত্ব দেশজুড়ে পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা পালিত

গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী প্রথম বছরে অর্থনীতিতে এফডিআইয়ে রেকর্ড ১৯.১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪৯ বার
গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী প্রথম বছরে অর্থনীতিতে এফডিআইয়ে রেকর্ড ১৯.১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী প্রথম বছরে দেশে বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) বৃদ্ধি পেয়েছে ১৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। যা বৈশ্বিক প্রবণতার সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থনৈতিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সাধারণত বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিদেশি বিনিয়োগ হ্রাস পায়। কিন্তু বাংলাদেশ এই ধারায় একমাত্র ব্যতিক্রম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের ডাটা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বিশ্বে যেসব দেশে গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত হয়েছে, সেসব দেশে পরবর্তী এক বছরে এফডিআই উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২২ সালের পর শ্রীলঙ্কায় এফডিআই কমেছে ১৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ, ২০১৯ সালের পর চিলিতে কমেছে ২৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ ও সুদানে ২০২১ সালের পর এফডিআই কমেছে ২৭ দশমিক ৬০ শতাংশ।
এছাড়াও ইউক্রেনে ২০১৪ সালের পর ৬১ দশমিক ২১ শতাংশ, মিশরে ২০১১ সালের পর ১০৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়ায় ১৯৯৮ সালের পর এফডিআই হ্রাস পেয়েছে ১৬১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। তবে এই ধারাবাহিক হ্রাসের প্রবণতার বিপরীতে বাংলাদেশে এফডিআইয়ের উল্টো চিত্র দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতার এবং বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশের প্রতি আন্তর্জাতিক মহলের গভীর আস্থার প্রতিফলন।
এ বিষয়ে সোমবার (৩ নভেম্বর) বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) আশিক চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গুণ হলো শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ‘বাউন্সব্যাক’ করার অদ্ভুত ক্ষমতা। এই পরিসংখ্যানটি তার দারুণ একটা প্রতিফলন।
তিনি বলেন, সাধারণত গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বিদেশি বিনিয়োগ প্রচণ্ডভাবে হ্রাস পায়। কিন্তু আমরা দেখছি উল্টা। সঠিক ইকোনমিক পলিসি সেট করা থেকে শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর ইত্যাদি সংস্থার আন্তরিকতা, প্রাইভেট সেক্টরের অদম্য স্পৃহাসহ সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটি হয়েছে। আমরা সবসময় বিনিয়োগকারীদের সাহায্য করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। সব সমস্যার সমাধান অবশ্য হয়নি, কিন্তু সদিচ্ছার কোনো ত্রুটি ছিল না। আমরা শিগগিরই আমাদের সারা বছরের একটা রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করবো।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories