শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরের বাঘারপাড়ায় পুকুরে ডুবে তিন শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, শোকে স্তব্ধ গ্রাম জাতীয় মৎস্য পক্ষ শুরু হচ্ছে রোববার, স্বর্ণপদক পাচ্ছে ১৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে মেধাবী তরুণ নাজমুলের পাশে প্রধানমন্ত্রী মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশি যাত্রীদের ৯৬ ঘণ্টার দুবাই ভিসা দিচ্ছে এমিরেটস কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু ইজারাদারকে থাপ্পড় মারা ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার রাজশাহী বিভাগের সব জেলা ও মহানগর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর অভিবাসী শ্রমিক অধিকারকর্মী অ্যান্ডি হলকে ৫ লাখ রিঙ্গিত জরিমানা মালয়েশিয়ার হাইকোর্টের

যুক্তরাষ্ট্রের আকাশচুম্বী ঋণ, গড়ল নতুন রেকর্ড

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪৮ বার

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ নতুন রেকর্ড গড়েছে। দেশটির সরকারি ঋণের পরিমাণ বর্তমানে ৩৮ ট্রিলিয়ন ১৯ বিলিয়ন ৮১৩ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ। সরকারি ব্যয় ও রাজস্ব ঘাটতির দ্রুত সম্প্রসারণের কারণেই এই বিপুল ঋণ বৃদ্ধি ঘটেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিকের গড় ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার ডলার। ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংকট্যাংক পিটার জি পিটারসন ফাউন্ডেশন বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের মোট ঋণের পরিমাণ এখন চীন, ভারত, জাপান, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের অর্থনীতির সম্মিলিত মূল্যের সমান।
পিটার জি পিটারসন ফাউন্ডেশনের সিইও মাইকেল এ পিটারসন বলেন, ‘মার্কিন আইন প্রণেতারা তাদের “মৌলিক আর্থিক দায়িত্ব” পালন করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। ঋণ এবং বাজেটের ওপর ট্রিলিয়নের সাথে ট্রিলিয়ন যোগ করা আমেরিকার মতো একটি মহান জাতির জন্য কোনো উপায় নয়।’
ঋণের সময়কাল আরও বেশি করে চলতে দেওয়ার পরিবর্তে, আইন প্রণেতাদের এমন অনেক দায়িত্বশীল সংস্কারের সুযোগ নেওয়া উচিত বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি। এমনটি হলে জাতিকে ভবিষ্যতের জন্য আরও শক্তিশালী পথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।
মাত্র দুই মাস আগেও যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ ছিল ৩৭ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালের নভেম্বরে এটি ছিল ৩৬ ট্রিলিয়ন এবং সেই বছরের জুলাইয়ে ছিল ৩৫ ট্রিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, ঋণের ঘড়ির কাঁটা আশঙ্কাজনকভাবে দ্রুত ঘুরছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ঋণ বৃদ্ধির ধারা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। ২০২৩ সালের পেন ওয়ারটন বাজেট মডেলের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যদি ঋণ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২০০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়, তাহলে বৈশ্বিক আর্থিক বাজার তা সহ্য করতে পারবে না।
মার্কিন কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস অনুমান করেছে, বর্তমান নীতির ধারাবাহিকতায় ২০৪৭ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ জিডিপির ২০০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট’, যার আওতায় কর ছাড়ের নীতি চালু করা হয়।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories