রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার পঞ্চম দিনে প্রচার-প্রচারণা চললেও নির্বাচনী উত্তাপ তেমনভাবে ছড়ায়নি ক্যাম্পাসে। শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটির পর অধিকাংশ বিভাগে শুরু হওয়া পরীক্ষার কারণে প্রার্থী ও ভোটার উভয়ের উপস্থিতিই মাঠে সীমিত হয়ে পড়েছে।
অনেক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনী কার্যক্রমে অতিরিক্ত সময় ব্যয় হওয়ায় একাডেমিক পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে। ইতোমধ্যেই বেশ কিছু বিভাগ রাকসু নির্বাচনের তারিখ ১৬ অক্টোবর সামনে রেখে পরীক্ষা পেছানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করছে।
এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবারও সক্রিয় হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন কমিশন। ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে তৈরি করা হয়েছে নান্দনিক তোরণ, যেখানে লেখা রয়েছে- ‘ভোটগ্রহণ ১৬ অক্টোবর, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।’
এছাড়াও ৯টি ভবনে বুথ নির্মাণের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং সিসি ক্যামেরা সংযোগের কাজ চলছে পুরোদমে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হয়তো এই দফায় আর নির্বাচনের তারিখ পেছাবে না। প্রার্থী ও ভোটররা চান দীর্ঘ এই প্রক্রিয়া যেনো নির্ধারিত ১৬ তারিখেই শেষ হয়। অন্যথায় আবারও ভোট পিছিয়ে দিলে এ প্রক্রিয়া থেকে অনেকেই রণে ভঙ্গ দিয়ে বের হয়ে যাবেন।
রাকসুতে সর্বমোট ভোটার সংখ্যা ২৮ হাজার ৯০১ জন। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী মোট প্রার্থী ২৪৭ জন। যেখানে ভিপি পদে ১৮ জন, জিএস পদে ১৩ জন এবং এজিএস পদে ১৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৫৮ জন।
Leave a Reply