রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. এম আমজাদ হোসেনকে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্য পদে নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার (২০ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবু সালেহ মো. মাহফুজুল আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
এদিকে সাংবিধানিক পদে নিয়োগের পর তিনি রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে থাকতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নির্বাচন ঘিরে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, বুধবার মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরুর কথা থাকলেও মঙ্গলবার রাতে ‘অনিবার্য কারণে’ তা স্থগিত করা হয়। বুধবার বিকেলে জানানো হয়, রোববার থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হবে। কিন্তু এই অবস্থায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার পিএসসিতে নিয়োগ পেলেন। তার মানে মনোনয়নপত্র বিতরণ রোববার থেকে শুরু হবে কিনা তারও নিশ্চয়তা নেই। এখন ১৫ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত সময়ে রাকসু নির্বাচন আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।
এ বিষয়ে অধ্যাপক আমজাদ হোসেন বলেন, আমি গণমাধ্যমের খবর থেকেই নিয়োগের কথা জেনেছি। অবশ্য একদিন আগে সরকারের পক্ষ থেকে ফোন পেয়েছিলাম। এখন করণীয় কী হবে, তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতেখারুল আলম মাসউদ বলেন, উনি পিএসসির সদস্য পদে যোগদানের আগ পর্যন্ত রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার থাকতে পারবেন। এখন উনি কবে শপথ নেন, যোগদান করেন, সেটা জানার বিষয়। এ নিয়ে প্রশাসন দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেবে।
প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৪-২৬ আগস্ট সকাল ১০টা-বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোয়নপত্র বিতরণ, ২৭ ও ২৮ আগস্ট সকাল ৯টা- বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল, ৩১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর,মনোনয়নপত্র বাছাই , ২ সেপ্টেম্বর প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ, ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা- বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার এবং ৪ সেপ্টেম্বর প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আবাসিক হলে ভোটগ্রহণ এবং ওই দিনই ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে।
Leave a Reply