রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে উত্তাল গাজীপুর,বিজিবি মোতায়েন যুবকদের কর্মমুখী করতে হবে, রাজনৈতিক বিপ্লবের পাশাপাশি দেশও গড়তে হবে এলডিসি সময় বৃদ্ধি ব্যতিক্রমী, এখন কৃতিত্ব দেখানোর পালা : সিপিডি রুট নিয়ে বিরোধ, তবু আজ চালু হচ্ছে কোম্পানিভিত্তিক বাস পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা তাহসিফের সঙ্গে থাকা তরুণী দিশা গ্রেপ্তার শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যান চলাচল স্বাভাবিক : পুলিশ বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, বিজিবি মোতায়েন সোমবার থেকে অটোরিকশা নিবন্ধন, লাইসেন্সের আওতায় আসবেন চালক

শিক্ষকের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে জবি রেজিস্ট্রারের পদত্যাগ দাবি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ৯৮ বার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবু রায়হান সিদ্দিকের সাথে অসদাচরণের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. গিয়াস উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ চেয়ে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
রোববার (৩ আগস্ট) ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে এই মানববন্ধন করেন তারা। শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘তিনি শুধু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নয়, আমাদের বিভাগের স্যারের সাথে বাজে ব্যবহার করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে বলতে চাই জুলাই পরবর্তী সময়ে এ রকম স্বৈরাচারী আচরণ মেনে হওয়া হবে না। তিনি যদি স্বৈরাচার হয়ে উঠতে চান তাহলে তার অবস্থা ভালো হবে না।
এ সময় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইব্রাহিম খলিল বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় আমরা যখন কোনো যৌক্তিক প্রশ্ন বা সমস্যা নিয়ে তার দপ্তরে যায় তখন তিনি আমাদের সাথে সহানুভূতির পরিবর্তে তিনি বিরূপ এবং অপমানজনক ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান। একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার এমন আচরণ শুধুমাত্র একজন শিক্ষার্থী নয়, পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।’
খোজ নিয়ে জানা গেছে, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবু রায়হান সিদ্দিক ইউজিসি ফান্ডেড স্কলারশিপ পাওয়ার পর ইউজিসি প্রদত্ত শর্ত অনুযায়ী একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর নিতে গিয়ে রেজিস্ট্রারের নিকট গেলে বাজে আচরনের শিকার হন। ওই শিক্ষককে নানাভাবে হেনস্তা করেন রেজিস্ট্রার গিয়াসউদ্দিন আহমদ।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক বলেন, ‘ইউজিসি থেকে আমাকে দ্রুত সময়ে ত্রিপক্ষীয় চুক্তিপত্রের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বলা হয়। আশা করেছিলাম এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার মহোদয়ের কাছে গেলে তিনি আন্তরিকতার সাথে স্বাক্ষর করে দিবেন। এরপরও কয়েক দফায় সারাদিন ঘুরে যখন ওনার স্বাক্ষরের জন্য শেষবার যাই আবার কেন গিয়েছি জানতে চেয়ে তিনি লাঞ্চ করবেন বলে কক্ষ থেকে চলে যেতে বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তার এমন ব্যবহারে খুবই হতবাক ও মর্মাহত হয়েছি। এমন দায়িত্বশীল পদে থেকে কারো সঙ্গে এমন ব্যবহার করা সমীচীন নয়।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories