রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে উত্তাল গাজীপুর,বিজিবি মোতায়েন যুবকদের কর্মমুখী করতে হবে, রাজনৈতিক বিপ্লবের পাশাপাশি দেশও গড়তে হবে এলডিসি সময় বৃদ্ধি ব্যতিক্রমী, এখন কৃতিত্ব দেখানোর পালা : সিপিডি রুট নিয়ে বিরোধ, তবু আজ চালু হচ্ছে কোম্পানিভিত্তিক বাস পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড ঘোষণা তাহসিফের সঙ্গে থাকা তরুণী দিশা গ্রেপ্তার শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যান চলাচল স্বাভাবিক : পুলিশ বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, বিজিবি মোতায়েন সোমবার থেকে অটোরিকশা নিবন্ধন, লাইসেন্সের আওতায় আসবেন চালক

প্রমাণ দিতে না পারলে মানহানিকর বক্তব্যের দায় নিতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫
  • ৯৫ বার
‘প্রমাণ দিতে না পারলে মানহানিকর বক্তব্যের দায় নিতে হবে’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীবের বিরুদ্ধে নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে দুর্নীতি করে অর্থ নেয়ার অভিযোগ তুলেছেন রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী। ছাত্রদলের এই নেতার বক্তব্যকে মানহানিকর দাবি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ ও উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন খান। শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে তাদের পৃথক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া পোস্টে এই প্রতিক্রিয়া জানান তারা।
রাবি রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ লিখেছেন, ‘একজন প্রাক্তন ছাত্রের কাছে তার প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেই প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে এ ধরণের মিথ্যাচার অত্যন্ত গর্হিত কাজ। ভিসি মহোদয়ের শত্রুরাও এ অভিযোগ বিশ্বাস করবে না! এ ধরণের অভিযোগের প্রমাণ দিতে হবে অভিযোগকারীকে। অন্যথায় এ মানহানিকর বক্তব্যের দায় নিতে হবে’।
অন্যদিকে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন খান লিখেছেন, ‘রাবির একজন সাবেক ছাত্রের কাছ থেকে এধরনের মিথ্যা ও মনগড়া মন্তব্য অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অসম্মানজনক! সাবেক এই শিক্ষার্থীর নিকট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিত এই মন্তব্যের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চাওয়া’।
এর কিছুক্ষণ পর ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে লিখেন, ‘মাননীয় উপ-উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন খান স্যার, আপনি যেভাবে নৈতিকতার ব্যাখ্যা দেন, তাতে মনে হয় ক্যাম্পাসে নতুন এক ফতোয়া চালু হয়েছে। যার কথা আপনাদের পছন্দ হয় না, সেটাই হারাম। আর নিজের ঘরের অনিয়ম-দুর্নীতি, তোষামোদ সবই মাকরুহ, কিন্তু মেনে নিতে হবে! এই বিশ্ববিদ্যালয় কারো ব্যক্তিগত সাম্রাজ্য নয়। এখানে প্রশ্ন উঠবে, জবাবও দিতে হবে। নিজেদের হারাম হলে হালাল, অন্যদের হালাল জিনিস মাকরুহ’!
প্রসঙ্গত, গত বুধবার (৩০ জুলাই) বিকেলে শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটি আনন্দ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে। ওই সমাবেশ বিষয়ে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত খবরের ফটোকার্ড নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী। ওই ফটোকার্ডে লেখা ছিল, “উপাচার্য শিক্ষার্থীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করে নিয়োগের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে: রাবি ছাত্রদল সভাপতি”

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories