১৯ মে টঙ্গীতে প্রতিবন্ধী নারী রাবেয়া সাবরিন লিখনকে (৩৩) হাত, পা ও মুখ বেঁধে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় কারাগারে আটক বাড়ির মালিককে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২২ মে) টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন।
পুলিুশ জানায়, ১৯ মে ঘটনার পর লাশ গ্রামের বাড়িতে দাফন করতে পিরোজপুর যাওয়ার কারণে মামলা করতে বিলম্ব হয়। ২১ মে নিহতের মা রাজিয়া আক্তার অজ্ঞাতনামা আসামি উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা করেন। লাশ উদ্ধারের সময় অসংলগ্ন কথা বলায় বাড়ির মালিক গোলাম মোস্তফাকে (৪৮) আটক করা হয়। কিন্তু মামলা করতে বিলম্ব হওয়ায় মোস্তফাকে ৫৪ ধারায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে রাখা হয়। ২১ মে মামলা দায়ের হওয়ায়র পর ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে কারাগারে আটক বাড়ির মালিক গোলাম মোস্তফাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।
নিহত প্রতিবন্ধী নারী সমাজ কল্যান মন্ত্রণালয়ের অধীন টঙ্গী শারিরিক প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাষ্ট- এ কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকীর করতেন।
নিহত লিখন পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানার উত্তর পটখালি গ্রামের সেলিম হাওলাদারের মেয়ে। তিনি টঙ্গীর গাজীবাড়ি পুকুর পাড়ের উত্তর-পশ্চিম পাড়ে জনৈক গোলাম মোস্তফার মালেক মঞ্জিলের দোতলায় একটি রুমে ভাড়ায় থাকতেন। ১৯ মে ভোরে নিজ রুমে হাত, পা ও মুখ উড়না দিয়ে বেঁধে নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে তাকে হত্যা করা হয়। এই হত্যা মামলার রহস্য এখনো উদঘাটিত হয়নি।
টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, আলামত বলছে, প্রতিবন্ধী লিখনকে হাত পা ও মুখ বেঁধে নির্যাতন করে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষন করা হয়েছে কি না তা ময়না তদন্তের পর জানা যাবে বলে জানান তিনি। তবে ঘটনার পর সিসি ক্যামেরা খোলার কারণে বাড়ির মালিককে আটক করে ৫৪ ধারায় কারাগারে রাখা হয়েছে। মামলা হওয়ার পর এখন গ্রেফতার দেখানোর আবেদন কর হলো।
Leave a Reply