হালুয়াঘাটের নাগলা বাজারে পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে মসজিদে ঢুকে কুপিয়ে জখম করেছে স্থানীয় একটি পক্ষ ।
দীর্ঘদিন যাবৎ সেচ ও মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে রুস্তম ফকির গং ও প্রতিপক্ষ হাফিজ উদ্দিন গংগের সাথে বিরোধ চলে আসছিল।
৫/৩/২০২৫ বুধবার সন্ধ্যায় হাফিজ গং সহ বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাজারে একটি দোকানে ইফতারের প্রস্তুতিকালে,প্রতিপক্ষ রুস্তম ফকির গং এর লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে অতর্কিত তাদের উপর হামলা করে।
সূত্র জানায়, ইফতারের সময় রাসেল ফকির, সায়েম ফকির, রুস্তম আলী ফকির, আশিক ফকির, দিপু ফকির, জুয়েল ফকির, রিফাত খানসহ ১৫/২০ জন এক সাথে জড়ো হয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে প্রতিপক্ষ রবিন ফকিরকে এলোপাতাড়িভাবে আঘাত করতে থাকে।এ সময় আত্ম রক্ষার্থে রবিন ফকির দৌড়ে পাশ্ববর্তী মসজিদে আশ্রয় নেয় সেখানেও হামলাকারীরা তাকে বিভিন্ন ভাবে আঘাত ও এলোপাতারী কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এসময় হামলা কারীরা প্রতিপক্ষ সোহেল ফকিরের দোকানে ঢুকেও ভাংচুর করে। জানা যায়, ঘটনা চলাকালে হামলাকারীরা মুমুর্ষ রোগীবাহি একটি এম্বুল্যান্সেও ভাংচুর চালায়।পরে এম্বুল্যান্সে থাকা ওই রোগীর মৃত্যু হয়। আহত রবিনকে মসজিদ থেকে মুসুল্লিরা উদ্ধার করে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে প্রেরণ করেন ।
এই বিষয়ে জয়নাল ফকির বলেন,তারা বিগত সরকারের আমল থেকে আমাদের উপর দলীয় প্রভাবে নির্যাতন করে আসছিলো। সে সময় অনেক বার বার আইনের আশ্রয় নিতে গিয়েও কিছু করতে পারিনি।
এ বিষয়ে হালুয়াঘাট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল খায়ের জানান, মসজিদ থেকে ভিকটিমের রক্তাক্ত জামাকাপড় উদ্ধার করা হয়েছে, একজনকে পার্শ্ববর্তী উপজেলা ফুলপুর থেকে আটক করা হয়েছে, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের প্রক্রিয়া চলছে।
Leave a Reply