বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট কার্যালয়ে ঢুকে পরিচালককে পেটাল দুর্বৃত্তরা মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে ১ বিলিয়ন ডলারের কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর কুমিল্লায় হাসপাতালে চিকিৎসকের অনুপস্থিতি, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছেন গোলাম পরওয়ার : রাশেদ খান প্রকাশ্যে ভারতে বিরোধীতা করলেও তলে তলে আঁতাত করছে জামায়াত: আবু হানিফ বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল আওয়ামী লীগ: রিজভী রাজধানী ঢাকার গুলিস্তানে উচ্ছেদ অভিযান চালাল ডিএসসিসি নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় ৩ জনের মৃত্যু

‘বাঁশখালী–মইশখালী’ খ্যাত সংগীতশিল্পী সনজিত আচার্য্য আর নেই

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১০৬ বার

চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের মুকুটহীন সম্রাট নামে বহুল পরিচিত সংগীতশিল্পী সনজিত আচার্য্য মারা গেছেন। সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রাম নগরের বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে ৭১ বছর বয়স হয়েছিল এ গায়কের।
সনজিত আচার্য্য মৃত্যুর সময় স্ত্রী স্বপ্না আচার্য্য এবং তিন মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আঞ্চলিক গানের এ রাজার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বোন গীতা আচার্য্য।
সনজিত আচার্য সংগীতশিল্পী ছাড়াও একাধারে একজন গীতিকার, সুরকার, নাট্যকার ও সংগীত পরিচালক ছিলেন। জীবদ্দশায় সহস্রাধিক গান রচনা করেছেন তিনি। তার গাওয়া অনেক গান শ্রোতামহলে জনপ্রিয়।
১৯৫৩ সালের ২৫ জুন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার চাপড়া গ্রামে জন্ম সনজিত আচার্য্যের। তার বাবার নাম কীর্তনীয়া মনোরঞ্জন আচার্য্য। পরিবারে পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে চতুর্থ ছিলেন সনজিত আচার্য্য। পরিবারসহ নগরের পাথরঘাটা ইকবাল রোডের নিজস্ব বাসায় থাকতেন এ গায়ক।
সংগীতশিল্পী কল্যাণী ঘোষের সঙ্গে সনজিত আচার্য্যের ‘গুরা গুরা হতা হই/ বাগানর আড়ালত বই/ পিরিতির দেবাইল্যা আঁরারে বানাইলা’ ও ‘সত্যি গরি কঅনা কক্সবাজার লাই যাইবা’ গানটিসহ চারটি গান নিয়ে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আনন্দ মেলা ১৯৭৮ সালে প্রথম গ্রামোফোন রেকর্ড প্রকাশ করে।
সত্তরের দশকের শেষ দিকে সনজিত আচার্য্যের আঞ্চলিক নাটক ‘সাম্পানওয়ালা’ সিনেমা নির্মাণ করেছিলেন প্রয়াত সংগীত কিংবদন্তি সত্য সাহা। যা ওই সময় আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল দেশে।
এদিকে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানে শেফালি ঘোষ ও শ্যামসুন্দর বৈষ্ণবের কালজয়ী জুটির পর শ্রোতামহলে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় জুটি ছিলেন কল্যাণী ঘোষ-সনজিত আচার্য্য।
সনজিত-শেফালী, সনজিত-কল্যাণী ও সনজিত-কান্তা নন্দীর দ্বৈতকণ্ঠে গাওয়া ‘বাজান গিয়ে দইনর বিলত/পাটি বিছাই দিয়্যি বইও ঘরত বাঁশ ডুয়ার আড়ালত থাই/ আঁরে ডাকর কিয়রল্লাই.. ব্যাপক জনপ্রিয়। এছাড়া ‘বাঁশখালী মইশখালী/পাল উড়াইয়া দিলে সাম্পান গুড়গুড়াই টানে/তোরা হন হন যাবি আঁর সাম্পানে,’ ওরে কর্ণফুলী রে..স্বাক্ষী রাখিলাম তোরে…’ গানগুলো শ্রোতাদের মুখে মুখে শোনা যায়।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories