টঙ্গীতে ভাগিনাকে রক্ষা করতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে শাহরিয়ার হোসেন অন্তু (২৪) নামের এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সুইচ গিয়ারের আঘাতে তার ফুসফুস ফুটো হয়ে যাওয়ায় রাজধানীর একটি হাসপাতালের আইসিইউতে তাকে রাখা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
বৃস্পতিবার রাত ৯টায় স্থানীয় পাগাড় স্কুল মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টঙ্গী ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নূরে আলম জিকুর ভাগিনা বখাটে রিসাদ ও রিয়াদ বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় পাগাড় স্কুলমাঠে তাদের প্রতিবেশী প্রবাসী আজিজুল হাকিমের ছেলে অনিমকে মাঠে বসাকে কেন্দ্র করে মারধর করে এবং আটকিয়ে রাখে। এসময় অনিমের মামা শাহরিয়ার হোসেন অন্তু ও মা সৈয়দা তুলি অনিমকে উদ্ধার করতে গেলে তাদেরকেও মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে মাহফুজুর রহমান ওরফে রিসাদ অত্যাধুনিক সুইচ গিয়ার দিয়ে শাহরিয়ার হোসেন অন্তুরের পিঠে আঘাত করলে প্রচন্ড রক্ত ক্ষরণ শুরু হয়। স্থানীয়রা অন্তুকে উদ্ধার করে দ্রুত টঙ্গী জেনারেল হাসপাতাল নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন।
আহত অন্তর ভাই সাজ্জাদ হোসেন মিঠু বলেন, আমার ভাই শাহরিয়ার অন্তু বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। সন্ত্রাসীদের কবল থেকে ভাগিনা ও বোনকে উদ্ধার করতে গিয়ে সে এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।
ইতিপূর্বেও জিকু ছুরিকাঘাত করে জিল্লুর নামে এক তরুণকে গুরুতর আহত করেছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাহজালাল এবং জিকুর সামনে ও তাদের ইন্দোনে তার ভাগিনা ওয়ার্ড ছাত্রদল সভাপতি পদপ্রার্থী রিসাদ নেক্কার জনক এ ঘটনা ঘটায়। জিকু গত ৫ আগস্টের পর থেকে তার ভাগিনাদের নিয়ে এলাকায় অধিপত্য বিস্তারের লক্ষে নানা অন্যায় অত্যাচার ও অপকর্ম করে যাচ্ছে। তাদের এমন আচরণে দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ভীষণভাবে বিব্রত। অন্তুর জীবন নাশের চেষ্টায় এমন আক্রমের ঘটনায় এলাকাবাসী ও নেতৃবৃন্দ তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে নূরে আলম জিকুর সাথে মুঠোফোন যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উল্লেখ থাকে যে, অন্তুকে হত্যার উদ্দেশ্য আক্রমন করার সময়ে স্থানীয় কয়েক বিএনপি নেতাকে জিকুদের সহযোগী হিসেবে দেখা গেছে।
Leave a Reply