বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীর স্টেশন রোডে মাইশা হাসপাতালে আবারো রোগীর মৃত্যু !! টাকার বিনিময়ে দফারফা চিহ্নিত দালাল চক্রের হাতে জিম্মি টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাষ্টার জেনারেল সরকারি হাসপাতাল সারা দেশে উদ্যোক্তা বিপ্লবের লক্ষ্যে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বিটেক ওয়ার্ল্ড পিএলসি’ গাজীপুর জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত আরো এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু ১১ দলীয় ঐক্য জোটের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা জব্দ ইরানি জাহাজের ৬ ক্রুকে ছেড়ে দিলো যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নতুন প্রস্তাবের যে বিষয়টিতে ট্রাম্পের আপত্তি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর হত্যা ও গুমসহ ১৮৫৫টি মামলা দায়ের: আইনমন্ত্রী

টঙ্গীতে কথিত বিএনপি নেতাদের হুমকি-ধমকিতে অতিষ্ট সাধারণ ব্যবসায়ীরা

গাজীপুর প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৩২ বার

টঙ্গীতে কথিত বিএনপি নেতাদের হুমকিতে অতিষ্ট এলাকার বিভিন্ন কলকারখানার মালিক, স্কুল শিক্ষক ও সাধারণ দোকানিরা। এখবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অভিযুক্ত এসব নেতারা হলেন, বড় দেওড়া পরান মন্ডলের টেক এলাকার হাজী বাবর আলী ও সফিউদ্দিন সরকার একাডেমী রোডের আসাদ জামান রনি। তারা বিএনপির কোনো কমিটিতে না থাকলেও স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন কারখানা ও দোকানপাটে হানা দিচ্ছে।
এলাকাবাসী জানায়, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বাবর আলী ও আসাদ জামান রনি বেপরোয়া হয়ে উঠেন। বাবর আলীর নেতৃত্বে কয়েকজন বড় দেওড়া কাঁঠালদিয়া এলাকায় নিউ জিপার, এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস, ন্যাশনাল পলিমার, বিল্লাহ রিসোর্স কারখানাসহ বিভিন্ন উৎপাদনমুখী কারখানায় ওয়েষ্টেজের জন্য হানা দেন। ওয়েষ্টেজ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে কারখানা কর্মকর্তাদের হুমকিও দেন বাবর আলীগং।
এদিকে আসাদ জামান রনি টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গালর্স কলেজ মার্কেটের বিভিন্ন দোকানিকে তাদের চুক্তিপত্রের দলিলের কপি দিতে চাপ প্রয়োগ করেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। যেসব দোকানি দলিলের কপি দিতে অস্বীকার করেন তাদের বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি ধমকি প্রদান করেন। এতে নিরীহ দোকানিরা ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। রনির নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি গ্রুপ পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজের শিক্ষকদেরকে স্কুলে প্রবেশ না করতে হুমকি দিয়ে আসছেন বলেও জানা গেছে। এতে ওই শিক্ষকরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন।
যোগাযোগ করা হলে আসাদ জামান রনি বলেন, আমি সরকার পরিবারের লোক। পাইলট স্কুলের একটি চক্র মার্কেটের দুইটি সিঁড়ি বিক্রি করে দিয়েছে। কি শর্তে সিঁড়িগুলো দোকানিরা কিনেছে তা জানতে চুক্তিনামা দলিলের কপি চেয়েছিলাম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে পাইলট স্কুলের তিনজন শিক্ষক দুর্নীতির দায়ে পদত্যাগ করেছেন। আন্দোলনের সমন্বয়কদের মধ্যে আমিও একজন। তাই দুর্নীতিবাজ শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানে আসতে বারণ করা হয়েছে।
এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে হাজী বাবর আলী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোনো কারখানায় ওয়েস্টেড বা ঝুটের জন্য যাইনি এবং কাউকে হুমকি ধামকিও দেইনি।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির সভাপতি প্রভাষক বশির উদ্দিন বলেন, বাবর আলী ও আসাদ জামান রনি বিএনপি ঘরনার হলেও তাদের কোনো পদপদবী নেই। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জনকে হুমকি ধামকি দেওয়ার অভিযোগ পেয়েছি।
এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গালর্স কলেজের অধ্যক্ষ মো. আলাউদ্দিন মিয়া বলেন, রনি নামে একজন লোক দোকান মালিকদের কাছে চুক্তিনামার দলিল চেয়েছে বলে একাধিক ভূক্তভোগি দোকানির মারফতে শুনতে পেয়েছি। এছাড়াও আমাদের কলেজের সহকারি অধ্যাপক কামাল হোসেনকেও তিনি প্রতিষ্ঠানে আসতে নিষেধ করেছেন বলেও শুনেছি। আমরা জানতে পেরেছি রনি বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মার্কেট কমিটির কেউ নন। কোনো দোকানির কাছে চুক্তিনামা দলিল চাওয়া তার কোনো এখতিয়া নেই।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories