টঙ্গীর কেরানীরটেক বস্তি থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪ কেজি গাজাসহ রমজান আলীকে গ্রেফতার করেছে এপিবিএনের একটি চৌকস পুলিশ দল।
জানা যায়, ২৬ শে জুন ২০২৪ ইং মঙ্গলবার সকাল ০৭.৫৫ মিনিটে উত্তরা এপিবিএন-১২ এর একটি চৌকস পুলিশ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন কেরানিরটেক বস্তির আমতলী বোডে বকুলের বাড়ীর সামনে থেকে রমজান নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ০৪ কেজি গাঁজাসহ আটক করে। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রমজান হোসেন (৪০) টঙ্গীর মধ্যআরিচপুর এলাকার মৃত খোরশেদ আলমে ছেলে। পরে ওই দিনই রমজানকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তরসহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ ইং সনের ৩৬(১) এর ১৯(ক) ধারায় মামলা নং-৩৭ রজু করেন এপিবিন কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, এই মামলায় স্থানীয় মোঃ মোস্তফা মিয়া(৬৩) কে সাক্ষী করায় কতিপয় নামধারী সাংবাদিকরা গত কয়েকদিন যাবৎ বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করছে। স্থানীয়রা আরো জানান, মোস্তফার আত্বীয় স্বজনরা মাদক মাদক ব্যবসায়ী কিনা জানি না, যদি মাদক ব্যবসায়ী হয়েও থাকে তাতে কি অন্যকোন মাদক মামলার সাক্ষী হতে পারে না ? যদি না হতে পারে ৪ কেজি গাজা উদ্ধারের মামলায় পথচারী হিসেবে মোঃ মোস্তফা মিয়াকে সাক্ষী দেয়া হলো কি করে।
এ নিয়ে দুটি নামধারী সাংবাদিক গ্রুপ বিভিন্ন অখ্যাত অনলাইনে অপপ্রচার করছে।
এ ব্যাপারে মোস্তফা মুঠোফোনে জানান, আমাকে পুলিশ ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধারের মামলায় সাক্ষী করায় কতিপয় সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশের নামে আমাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে, টাকা দাবী করছে। তিনি বলেন, যাকে গ্রেফতার তার নামে ৭/৮ টি মাদকের মামলা রয়েছে। আমি দেখেছি পুলিশ একজন ব্যক্তিকে আটক করে তার কাছ থেকে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে।
এপিবিএন এর একজন কর্মকর্তা জানান,
স্থানীয় সংবাদকর্মীদের পাল্টাপাল্টি কর্মকান্ডে আমরা বিব্রতকর অবস্থায় আছি, ৪ কেজি গাঁজাসহ একজনকে গ্রেফতার করে মামলা দেয়ার পর, সংবাদকর্মীদের কেউ কেউ মামলার সাক্ষীকে হয়রানীসহ টাকা দাবী এমন কি ভুল তথ্য প্রচার করছে। এটা দু:খজনক এবং সন্মানহানীকর। সংবাদকর্মীদের কাছে আমরা আশা করি না।
Leave a Reply