বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুর মহানগরের ধীরাশ্রমে ট্রাকের ধাক্কায় গাজীপুরে অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলের সৌজন্য সাক্ষাৎ পুলিশের ৭ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ট্রেনের ভাড়া বাড়ানো হবে কি না সিদ্ধান্ত হয়নি: রেলমন্ত্রী এ বছর নয়, আগামী বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচন : প্রতিমন্ত্রী ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এইচএসসি-সমমানের ফল প্রকাশের প্রস্তুতি হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে : রাষ্ট্রপতি ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ সরকারি হাসপাতালের সামনে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আইএমএফের তৃতীয় কিস্তি : রিজার্ভ ছাড়া সব শর্ত পূরণ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪
  • ৮১ বার

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের তৃতীয় কিস্তি পেতে বৈদেশিক মুদ্রার নিট রিজার্ভ ছাড়া তার সবই পূরণ করতে পেরেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বিষয়ে আইএমএফের কান্ট্রি রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশের ঋণের তৃতীয় কিস্তি ছাড়ের অনুমোদনের পর কান্ট্রি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে আইএমএফের পর্ষদ সভায় তৃতীয় কিস্তির প্রায় ১১৫ কোটি ডলার অনুমোদন হয়। এর মধ্যে এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি (ইসিএফ) ও এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটির (ইএফএফ) ৯২ কোটি ৮০ লাখ ডলার এবং রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটির ২২ কোটি ডলার রয়েছে।
কান্ট্রি রিপোর্টে বলা হয়, আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী গত ডিসেম্বর নাগাদ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৭ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার। ডিসেম্বর শেষে প্রকৃত রিজার্ভ ছিল ১৬ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার।
উল্লেখ্য, আইএমএফের তৃতীয় কিস্তি ছাড়ের জন্য প্রাথমিকভাবে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার নিট রিজার্ভ ২৬ দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে রিজার্ভে বড় ধরনের উন্নতি না হওয়ায় বাংলাদেশের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তা কমানো হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে লক্ষ্যও অর্জিত হয়নি।
অন্যান্য শর্তের বিষয়ে আইএমএফের কান্ট্রি রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ডিসেম্বর নাগাদ কর রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে। ডিসেম্বর পর্যন্ত চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে কর রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। আদায় করেছে ১ লাখ ৬২ হাজার ১৬০ কোটি টাকা।
ঋণের আরেকটি শর্ত ছিল, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারের বাজেট ঘাটতি যেন ৯০ হাজার ৫২০ কোটি টাকার বেশি না হয়। কান্ট্রি রিপোর্ট অনুসারে, চলতি অর্থবছরের ওই সময় পর্যন্ত কোনো ঘাটতি তো ছিলই না, বরং ৪৭ হাজার ৫৪০ কোটি টাকার উদ্বৃত্ত ছিল।
অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক ব্যয়ে ডিসেম্বর নাগাদ ৩০ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্য দেওয়া হয়েছিল। ব্যয় হয়েছে ৫৫ হাজার ৭১০ কোটি টাকা। অর্থবছরের ছয় মাসে সরকারের মূলধনি ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল ২২ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। ব্যয় হয়েছে ৩৫ হাজার ১৭০ কোটি টাকা। এ ছাড়া রিজার্ভ মানি ও বিদেশি ঋণের বকেয়া সম্পর্কিত যেসব লক্ষ্যমাত্রা ছিল, সেগুলোও পূরণ করা হয়েছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories