মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন

টঙ্গীর ফাতেমা জেনারেল হসপিটালের ডাক্তার ঝর্ণা কর্তৃকভূল চিকিৎসায় নবজাতক যমজ সন্তানের জননীর মৃত্যুর অভিযোগ

মৃণাল চৌধুরী সৈকত
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১ মে, ২০২৪
  • ১৩৩ বার

টঙ্গীর ফাতেমা জেনারেল হসপিটালে জরুরী বিভাগের ডাক্তারের ভূল চিকিৎসায় যমজ সন্তানের জন্ম দেয়ার ৩৬ ঘন্টার মধ্যে মা শিউলী আক্তারের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রোগীর পরিবার পরিজনদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার রানদেব গ্রামের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে গর্ভবতী শিউলী আক্তার টঙ্গী এলাকায় বসবাস করেন। গত সোমবার রাত ৭টায় প্রসব ব্যাথা উঠলে তিনি টঙ্গীর ষ্টেশন রোডস্থ ফাতেমা জেনারেল হসপিটালে এস ভর্তি হন। রাত সাড়ে ১০ টায় হসপিতালের কর্তৃপক্ষ শিউলীকে সিজার করলে তিনি যমজ সন্তানের জন্ম দেন। যার একটি ছেলে ও একটি মেয়ে। সিজারের পর মা ও সন্তানেরা ভালোই ছিলো। বুধবার বিকেলে রোগী হসপিটাল থেকে বিদায় নেয়ার কথা ছিলো। ইতিমধ্যে সকাল সাড়ে ৮ টায় শিউলী আক্তারের ব্লাড পেসার বেড়ে গেলে হসপিটালের জরুরী বিভাগের ডাক্তার ঝর্ণা তাকে ফেক্সোকাড-৫০ সেবন করান। এর কিছুক্ষনের মধ্যে শিউলী আরো অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে মাথায় পানি দেয়া হয় এবং আধঘন্টার মধ্যে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। শিউলীর মৃত্যু হয়েছে বুঝতে পেরে জরুরী ভিত্তিতে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ নিয়ে শিউলীর পরিবারের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে নিহত শিউলীর ভাই জানান, আমার বোন সিজারের পর সুস্থই ছিলো। আজ হঠাৎ পেসার বেড়ে যাওয়ার পর একটি টেবলেট খাওয়ানোর পর বোনটি মারা যায়। শতভাগ ভূল চিকিৎসায় আমার বোন মারা গেছে। আমরা এর সুষ্ট বিচার চাই।
নিহত শিউলীর মা জানান, আমার মেয়ে দুটি বাচ্চা প্রসবের পর সুস্থই ছিলো, সকালে মাথা ব্যসা আর পেসার উঠার পর একটি টেবলেট খাওয়ার পর হঠাৎ দাড়ানো থেকে পড়ে শেষ। আমি এর সুষ্ট বিচার চাই।
এ বিষয়ে জানতে হাসপাতালের ম্যানেজার এমাদুল এবং মালিক ডা. ফাতেমা দোলনের মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories