মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে উন্নয়ন ও সংস্কার নিয়ে আইইবির মতবিনিময় সভা পানি, বর্জ্য ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আগ্রহী সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে : আফরোজা খানম বিজিবির মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন, সর্বস্তরে মাছ চাষের আহ্বান মহাপরিচালকের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হুমায়ুন ও শামার দায়িত্ব বণ্টন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ, রোহিঙ্গা ও অভিবাসন সহযোগিতা নিয়ে খলিলুর-সারাহ কুক বৈঠক দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে সরকারের তিন ধাপের কৌশল তুলে ধরলেন ড. তিতুমীর সকল ধর্ম ও মতের মানুষকে কথা বলার সুযোগ দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টায় থাকবো : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার মালয়েশিয়ায় ন্যূনতম মজুরি ৩,১০০ রিঙ্গিত করার দাবি এমটিইউসির পেনাংয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প, দুই দিনে পাঁচ শতাধিক প্রবাসীকে সেবা প্রদান

অক্সিজেন বহনকারী ছেলেকে আটকে রাখে পুলিশ, বাড়িতে মারা গেলেন বাবা

জেলা প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৯ জুলাই, ২০২১
  • ১২২ বার

সাতক্ষীরায় অসুস্থ বৃদ্ধ বাবার জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে যাওয়ার পথে শহরের ইটাগাছা হাটের মোড়ে ছেলেকে দুই ঘণ্টা আটকে রাখেন পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই সুভাষ সেন। এদিকে বাড়িতে অক্সিজেনের অভাবে রজব আলী মোড়লের (৬৫) মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করছে পরিবারটি।

বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈচনা গ্রামে করোনা উপসর্গ নিয়ে রজব আলী মোড়ল (৬৫) মারা যান।

রজব আলীর ছেলে ওলিউল ইসলাম জানান, করোনা উপসর্গ নিয়ে বাড়িতে ছিলেন বাবা। অক্সিজেনের প্রয়োজন ছিল জরুরি। শহরের পলাশপোল এলাকার এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে একটি অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে বাড়িতে যাচ্ছিলাম।

তিনি আরও বলেন, মোটরসাইকেলযোগে ইটাগাছা হাটের মোড়ে পৌঁছালে আমাকে থামান ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই সুভাষ চন্দ্র। এরপর তিনি লকডাউনে বাইরে বেরিয়েছি কেন জানতে চান ও ১ হাজার টাকা দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা দিতে না পারায় তাকে দুই ঘণ্টা সেখানে আটকে রাখা হয়।

পরে ইটাগাছা এলাকার জনৈক জিয়াউল ইসলামের মধ্যস্থতায় ২০০ টাকা নিয়ে এএসআই সুভাষচন্দ্র তাকে ছেড়ে দেন। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। বাড়িতে গিয়ে দেখি অক্সিজেনের অভাবে আমার বাবা মারা গেছেন।

তবে এই ঘটনার বিষয়ে ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই সুভাষ চন্দ্র বলেন, মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চেয়েছিলাম। তিনি দেখাতে পারেননি। বাড়ি থেকে কাগজপত্র এনে দেখাতে বলেছিলাম।

অক্সিজেনের বিষয়টি জানার পর তাকে বলেছিলাম, পরে এসে কাগজপত্র দেখিয়ে যেতে। তাকে বেশি সময় আটকে রাখিনি। পরে শুনলাম তার বাবা মারা গেছেন।

সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, ওই ছেলেটার মোটরসাইকেল আটক করলে পুলিশের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকায় তাৎক্ষণিক তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এখন ছেলেটি অভিযোগ করছে অক্সিজেনের অভাবে তার বাবা মারা গেছেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories