বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজধানীর মিরপুরের সড়কে শ্রমিক নেই, ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন: ডিএমপি যুগ্ম কমিশনার নীলফামারীর ডিমলায় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে পিটুনিতে মায়ের মৃত্যু, আটক- ৪ সাভারে শ্রমিকদের তাণ্ডব, সাংবাদিক-পুলিশসহ আহত-১০ বড়দিন উদযাপনে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী আধুনিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও নিরাপত্তায় অপরিহার্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিসেম্বরে চূড়ান্ত হবে পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামো দক্ষিণ এশিয়ায় ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে প্রথম সভা চলছে আজ থেকে টানা ৪ দিন কম থাকবে গ্যাসের চাপ দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে এক বন্দি কিশোরের মৃত্যু, অভিযোগ মারধর করে হ্ত্যা

মৃণাল চৌধুরী সৈকত
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১১৪ বার

টঙ্গীতে অবস্থিত শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের মারুফ আহমেদ (১৬) নামে এক বন্দি কিশোর শারীরিক অসুস্থতা জর্নিত কারনে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
পরিবারের অভিযোগ, অমানুষিক নির্যাতনের কারণে মারুফ মারা গেছে। বুধবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।
মারুফের বাবা রফিক আহমেদ জানান, তাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলায়। বর্তমানে খিলক্ষেত দর্জিবাড়ি এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন। মারুফ কিছুদিন মাদ্রাসায় পড়াশোনা করলেও পরে লেখাপড়া বাদ দেয়। তিনি একজন দিনমজুর। তার তিন ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে মারুফ ছিল সবার বড়।
রফিক আহমেদ অভিযোগ আরো বলেন, ২৭ জানুয়ারি খিলক্ষেত এলাকায় এক ঝালমুড়ি ব্যকসায়ীর সাথে কয়েকজন ছেলের ঝগড়া হয়। সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল মারুফ। তখন খিলক্ষেত থানা পুলিশ দুই ছেলের সঙ্গে মারুফকে ধরে নিয়ে যায়। ২৮ জানুয়ারি কোর্টে চালান করে দেয়। এ খবর পেয়ে খিলক্ষেত থানায় গিয়ে জানতে পারি মারুফের নামে ডাকাতি মামলা হয়েছে। আদালত থেকে তাকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
গত ৮ থেকে ১০ দিন আগে মারুফের মা ইয়াসমিন বেগমকে নিয়ে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে মারুফের সঙ্গে দেখা করতে যাই। তখন মারুফ কান্না করে বলে, বাবা আমি জীবনেও আর মারামারি, খারাপ কাজ করব না। তোমরা আমারে এখান থেকে নিয়া যাও। ওরা আমাকে বাথরুম, থালা-বাসন ধোয়ায়। না ধুইলে আমারে অনেক মারধর করে।
১২ ফেব্রুয়ারি ফোন করে জানানো হয় মারুফ অসুস্থ।
তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। পরে ঢাকা মেডিকেলে এসে দেখি আমার ছেলে অচেতন অবস্থায় আছে। তার সঙ্গে কোনো কথা বলতে পারিনি। মারুফের শরীরে, হাতের কনুইয়ে ও পিঠের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়েছি। আমার ছেলেকে ওরা মারধর করেছে। মারধরের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। আমি আমার ছেলের মৃত্যুর বিচার চাই।
এ ব্যাপারে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালকের মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করে উনাকে পাওয়া যায়নি ।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories