পঞ্চগড়ের চাকলা হাট ইউনিয়নের ডোলোপাড়া গ্রামের আশরাফুল আলমের আম বাগান থেকে তাবুল বর্মন (৪৫) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পঞ্চগড় সদর থানার পুলিশ।
নিহত তাবুল বর্মন রায় মাগুরা ইউনিয়নের লাখরাজ ঘুন্টি গ্রামের মৃত ভগিরন বর্মনের পুত্র
তাবুলের বড় ভাই বাবুল বর্মন জানান ৩১/১/২০২৪ তারিখে সন্ধ্যা আনুমানিক সাত ঘটিকার সময় তাবুল তার বাসা থেকে বের হয়ে যায়, এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সারারাত বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের বাসায় খোঁজাখুঁজির পর তাবুলের খোঁজ না পাওয়া গেলে তার পরিবারের লোকজন পঞ্চগড় সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে।
সাধারণ ডায়রির পর তাবুলের ফোন নম্বর ট্যাগ করে দেখা যায়, সদর উপজেলার হাড়িবাসায় ইউনিয়নের পাপিয়া পাড়া গ্রামের প্রভাত চন্দ্র রায়ের সাথে শেষ কল এ বিষয়টি ঘাটিয়ে দেখা যায় প্রভাত চন্দ্র রায়ের শাশুড়ি ললিতা রায় (৪০) এর ফোন থেকে তাবুলকে ফোন করে।
শেষ কলের উপর ভিত্তি করে,, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টায় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের পাপিয়া পাড়া গ্রামের প্রভাত চন্দ্র রায়ের বাড়ি থেকে প্রভাত চন্দ্র রায় এবং তার স্ত্রী মনিকা ও তার শাশুড়ি ললিতা রায়কে পুলিশ গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সদর থানায় নিয়ে যায়।
সদর থানায় নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা (প্রভাত চন্দ্র রায় তার স্ত্রী মনিকা ও তার শাশুড়ি ললিতা রায়) স্বীকারোক্তি দেয় যে তারা (প্রভাত চন্দ্র রায় তার স্ত্রী মনিকা ও তার শাশুড়ি ললিতা রায়), তাবুলকে হত্যা করেছে এবং হত্যার পর সদর উপজেলার চাকলা হাট ইউনিয়নের ডোলোপাড়া গ্রামের আশরাফুল আলমের আম বাগানের ড্রেনে মাটি চাপা দিয়ে রেখেছে
উক্ত স্বীকারোক্তির পর সদর থানার পুলিশ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় চাকলা ইউনিয়নের ডোলপাড়া গ্রামের আশরাফুল আলমের আম বাগানের ড্রেন থেকে তাবুলের লাশ উদ্ধার করে এবং লাশের সাথে একটি দেশীয় কুড়াল পাওয়া যায় , ধারণা করা হচ্ছে কুড়ালের আঘাতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে
লাশ উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন চাকলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: রবিউল ইসলাম নিজে লাশ উত্তোলনে ডোমের সাথে সহযোগিতা করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করেন।
তাবুলের সঙ্গে প্রভাত রায়ের শাশুড়ি অবৈধ সম্পর্ক ছিল বলে স্থানীয় একটি সূত্র জানায়।
Leave a Reply