মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সীমান্তের ওপারের ইশারায় অনেকে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ সুরক্ষায় পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পোশাক শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ-বিক্ষোভ, গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন আইসিসিবি হেরিটেজ রেস্টুরেন্টে শুরু হলো ৮ সপ্তাহব্যাপী গ্র্যান্ড মিউজিক্যাল নাইট বাণিজ্য মেলার প্রধান ফটক ভেঙে ক্যাম্পাসে ফিরলেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা শ্রমিক অসন্তোষে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা, ছুটি ঘোষণা বিভিন্ন কারখানায় রাজনৈতিক ট্যাগ লাগিয়ে ভাগিনা দম্পতি’কে মারধর: প্রবাসী বোনের সম্পত্তি দখল গাজীপুর প্রেস ক্লাবকে দূর্নীতিমুক্ত এবং সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার প্রতিবাদে মানববন্ধন ট্রাম্পের বাসভবনের অদূরে আছড়ে পড়ল উড়োজাহাজ, নিহত সবাই

বেরোবিতে শিক্ষক নিয়োগে জালিয়াতি, ১১ বছর পর ব্যাখ্যা চেয়েছে ইউজিসি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৮৮ বার

১১ বছর আগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া এক শিক্ষকের বিষয়ে জানতে চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন চিঠি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। এই শিক্ষক হলেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাবিউর রহমান প্রধান। তিনি প্রভাষক হিসেবে ২০১২ সালে নিয়োগ পেয়েছেন। পরবর্তীতে দুই দফায় পদোন্নতি নিয়ে বর্তমানে সহযোগী অধ্যাপক পদে কর্মরত আছেন। তার পদোন্নতিতেও রয়েছে অনিয়মের অভিযোগ।
এইসব বিষয়ে নিয়োগ বঞ্চিত শিক্ষক মাহমুদুল হকের করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইউজিসি এই চিঠি দেয়। গত ৮ই জানুয়ারি ইউজিসি’র উপ-সচিব মো. গোলাম দস্তগীর স্বাক্ষরিত এক পত্রে অভিযোগের বিষয়ে দালিলিক প্রমাণাদিসহ দফাওয়ারী লিখিত বক্তব্য ও এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশনের বিপরীতে উচ্চ আদালতের জারিকৃত রুল ও আদেশ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৃহীত পদক্ষেপের হালনাগাদ তথ্য ৭ কর্ম দিবসের মধ্যে প্রেরণ করতে বলা হয়। গতকাল চিঠিটি গণমাধ্যমের হাতে এসেছে। জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলমগীর চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইউজিসিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের পাঠানো চিঠি মারফত জানা যায়, ২০১২ সালে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক পদে তাবিউর রহমান প্রধানের ‘অবৈধ’ নিয়োগের কারণে নিয়োগ বঞ্চিত হন মাহামুদুল হক। ২০১৯ সালে সাত বছর আইনি লড়াইয়ের পর হাইকোর্টের রায়ে প্রভাষক পদে মাহামুদুল হক নিয়োগ পান। কিন্তু তিনি ওই রায় অনুযায়ী জ্যৈষ্ঠতা ও চাকরির অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় ২০২২ সালে আবার তিনি হাইকোর্টে রিট মামলা করেন। মাহামুদুল হকের রিটের প্রেক্ষিতে ২০২২ সালের ১৪ই মার্চ হাইকোর্ট জালিয়াতির কারণে কেন তাবিউর রহমানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে না তা জানতে চেয়েছেন। অন্যদিকে ২০১৩ সালের হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী কেন মাহামুদুল হককে ২০১২ সালের বাছাই বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী নিয়োগ কার্যকর করে তাকে জ্যেষ্ঠতা ও চাকরির অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা (বেতন-ভাতা) দেয়া হবে না তাও ওই রুলে জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। এরপর হাইকোর্টের আগের রায় ও চলমান রুল অনুযায়ী গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাবিউর রহমান প্রধানকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বরখাস্ত ও তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে গত বছরের ৩০শে সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়, দুদক ও ইউজিসিতে পাঠানো এক চিঠিতে অনুরোধ করেন মাহমুদুল হক। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুদক ইউজিসি’র নিকট এ ব্যাপারে জানতে চায়। দুদকের চিঠির প্রেক্ষিতে বেরোবি কর্তৃপক্ষকে ইউজিসি চিঠি পাঠিয়েছে। তবিউর রহমান ও মাহামুদুল হকের নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র ও মাহামুদুল হকের অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, নিয়োগ বাছাই বোর্ডের সুপারিশপত্র ‘জালিয়াতি করে’ ২০১২ সালে প্রভাষক পদে নিয়োগ নিয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে ১১ বছর ধরে চাকরি করে যাচ্ছেন তাবিউর রহমান প্রধান। বর্তমানে তিনি সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে রয়েছেন। হয়েছেন বেশ কয়েকবার শিক্ষক সমিতির নেতা। শুধু তাই নয়, সহযোগী অধ্যাপক হওয়ার প্রক্রিয়াতেও রয়েছে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ। নিয়োগ জালিয়াতির জন্য তার বিরেুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে না তা জানতে চান হাইকোর্ট। কিন্তু তৎকালীন প্রশাসনের উদাসীনতায় কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি এমন গুরুতর অভিযোগের।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আলমগীর চৌধুরী বলেন, ‘উপাচার্য মহোদয় ইউজিসি’র মিটিং-এ ঢাকায় রয়েছেন। উনি আসলে অনুমোদন নিয়ে জবাব প্রদান করা হবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories