ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় উপজেলা আওয়ামীলীগ ও উপজেলা জাতীয় পার্টির যৌথ আয়োজনে বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার বিকেল স্থানীয় আরকে স্কুল খেলার মাঠে এ নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি’র সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র মোঃ বিল্লাল হোসেন সরকার এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম।
প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল।
প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইউসুফ খান পাঠান। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল বলেন নৌকা মনোনীত প্রার্থীকে প্রত্যাহার করে এখানে লাঙ্গল মার্কা দেওয়া হয়েছে। সকলে এক যুগে কাজ করে জয় নিশ্চিত করেতে হবে।
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইউসুফ খান পাঠান বলেন যেহেতু এখানে নৌকা নেই, এখানে লাঙ্গল’ই নৌকা। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম বলেন,আমি ধানমন্ডি কথা বলেছি কেন্দ্রীয় নেতারা সকল খোঁচ খবর নিচ্ছে এখানে ডানে বামে যাওয়ার সুযোগ নেই। সকলে লাঙ্গলের বিজয় নিশ্চিত করে ঘরে ফিরতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেন,২০০৮ সালে আমি নৌকা নিয়ে বিজয়ী হয়েছিলাম দীর্ঘ ৩৫ বছর পর মুক্তাগাছার মানুষ নৌকার বিজয় দেখেছিল। ২০১৪ সালে মহাজটের কাছে আমার আসনটি ছেড়ে দিতে হয়েছিল পুনরায় ২০১৮ সালে আমি আবার নৌকার মনোনয়ন পাই এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে মন্ত্রী পরিষদের সদস্য করেন আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তার প্রতি।
তিনি আরও বলেন এবার আমাকে মনোনয়ন না দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই আকন্দকে মনোনয়ন দিয়েছিল আমরা খুশি হয়েছিলাম। কিন্ত জোটের সমঝতায় এই আসনটি জাতীয় পার্টির সালাহউদ্দিন আহমেদ মুক্তিকে দিয়েছে। প্রশ্ন হলো বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই আকন্দ মহাজোটের প্রার্থীকে সমর্থন না দিয়ে যুদ্ধ অপরাধী পরিবার গেদু রাজাকারের ভাই নজরুল ইসলামকে সমর্থন দিয়েছে। মাঝেমধ্যে অবাক হই সে কি আসলেও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।যাকে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ চলাকালীন হত্যা করেছে তার ভাইকে কিভাবে সমর্থন দিল। আমরা উপজেলা আওয়ামীলীগ হাতে হাত রেখে ৭ তারিখ বিজয় নিশ্চিত করে ঘরে ফিরব ইনশাআল্লাহ।
Leave a Reply