সাভারের আমিনবাজার এলাকায় একটি সেমি পাকা ঘরে পাইপ লাইনের জমে থাকা গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে সাত যুবক দগ্ধ হয়েছেন।
আমিনবাজারের হিজলা গ্রামের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন- মো. রায়হান (২০), মো. হারিস (২০), মো. নাহিদ (২০), মো. জুয়েল (২২), মো. মোনারুল (১৯), মো. আল-আমিন (২২) ও মো. রুবেল (২৫)।
আগুনে রায়হানের ২৮ শতাংশ, হাদিসের ১৩ শতাংশ, নাহিদের ১৭ শতাংশ, জুয়েলের ১৪ শতাংশ, মোনারুলের ৭ শতাংশ, আলামিনের ১২ শতাংশ ও রুবেলের ১৩ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘শুক্রবার রাতের দিকে সাভার থেকে দগ্ধ অবস্থায় সাতজনকে আমাদের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে জরুরি বিভাগে তাদের অবজারভেশনে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
দগ্ধ রায়হানের ভগ্নিপতি রকিব বলেন, ‘দগ্ধরা সবাই দিনমজুর। তাদের মধ্যে চারজন গাড়ির স্প্রিং পাত্তি মেরামতের মেকানিক্যাল মিস্ত্রি এবং বাকি তিনজন মাটি কাটার লেবার। আজ রাতের দিকে খাওয়া দাওয়া শেষে তারা সাতজন মিলে একটি টিনশেডের ঘরে বসে গল্প-গুজব করছিল। এ সময় তাদের মধ্যে একজন সিগারেট ধরানোর জন্য ম্যাচের কাঠি জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ হয়। এতে সাতজন দগ্ধ হয়।
উদ্ধারের পর তাদের হাসপাতালে নেওয়া রকিব বলেন, আমিনবাজার এলাকায় একটি বাড়ির দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ঘরে আড্ডা দিচ্ছিলেন তারা। একজন সেখানে সিগারেট ধারানোর জন্য দিয়াশলাই জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণে আগুন লেগে তারা দগ্ধ হয়।
তিনি বলেন, তারা একই এলাকার বাসিন্দা বন্ধু-বান্ধব, দিনমজুর, কেউ গার্মেন্টসকর্মী, কেউ লেবার।
তিনি আরও বলেন, দুই দিন আগে ওই কক্ষের পাশেই গ্যাসের লাইনে কাজ করা হয়েছিল। কক্ষটিও সারাদিন বন্ধ ছিল। ফলে কক্ষে কোনোভাবে গ্যাস আচ্ছন্ন হয়ে ছিল। আগুন জ্বালাতেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
Leave a Reply