শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লায় ২৮১ ইটভাটার ৯০টিই অনুমোদনহীন, ফসলি জমিতে জ্বলছে কাঠ আজ রাতে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ বিশ্ব গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু কবি ও দর্শকপ্রিয় অভিনেতা রিফাত চৌধুরীর পাশে অভিনয়শিল্পী সংঘ শিল্পখাতে সোলারসহ বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থা রাখার তাগিদ রাষ্ট্রপতির ৫১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, নিয়োগ হবে ৫ হাজার চিকিৎসক বাংলাদেশের উন্নয়নে জাতিসংঘের ভূমিকা প্রশংসনীয়: জহির উদ্দিন স্বপন স্থানীয় সরকারের ৬ হাজার ৫৪৪ প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ, লক্ষ্য ৩০০ মেগাওয়াট হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রীর ছেলে

গাজীপুরে কর কর্মকর্তা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

মৃণাল চৌধুরী সৈকত
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১ মে, ২০২৩
  • ৮৭ বার

অঞ্চল-৯ এর কর্মকর্তা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (৩০ এপ্রিল) দুদকের গাজীপুর জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোজাহার আলী সরদার এই মামলা করেন।
আসামিরা হলেন- ওই কর অঞ্চলের কর্মকর্তা আবু হাসান মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী লাকী রেজওয়ানা।
একটি মামলায় একমাত্র আসামি খাইরুল ইসলাম। অপর মামলায় তার স্ত্রী প্রধান আসামি ও দুই নম্বর আসামি খাইরুল ইসলাম।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ওই দম্পতির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ২ কোটি ৬৮ লাখ ২৯ হাজার ৮৭৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এর মধ্যে খাইরুল ইসলাম ১ কোটি ৩২ লাখ ১ হাজার ৮৯৮ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে দুদকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়েছেন। একইভাবে তার স্ত্রীও বিপুল সম্পদের তথ্য গোপন করেন।ঢাকার উত্তরায় কর অঞ্চল-৯ এর কর পরিদর্শক আবু হাসান মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর কমিশনে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। যেখানে তিনি মাত্র ২৮ লাখ ২৮ হাজার ২৭৭ টাকার অস্থাবর সম্পদের হিসাব জমা দেন। কিন্তু খাইরুল ইসলামের রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় তার নামে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ১৫ শতাংশ জমির ওপর ডুপ্লেক্স (দুতলা) বাড়ির সন্ধান পায় দুদক। যার দালিলিক মূল্য পাওয়া যায় ১ কোটি ৩৩ লাখ ৪৪ হাজার ২৪৫ টাকা। যা তিনি গোপন করার চেষ্টা করেছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, এছাড়া স্ত্রী লাকী রেজওয়ানার নামে সাব কবলা দলিল মূলে ক্রয় পরবর্তী নিজ নামে হেবা বিল এওয়াজ দলিলের মাধ্যমে অর্জিত ১৫ শতাংশ জমিসহ ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ ও দলিল নং-৪১৯৫/১৯ এর খরচসহ সর্বমোট ১ কোটি ৩৩ লাখ ৪৪ হাজার ২৪৫ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন। পরে সেটা নিজ নিয়ন্ত্রণে রাখা ও ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ওই অবৈধ সম্পদের উৎস আড়াল করার অসৎ উদ্দেশ্যে তার অবৈধ আয়ের প্রকৃত উৎস, অবস্থান, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ গোপন করার চেষ্টা করেন। সে জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে তার পিতা চাঁদ মিয়ার নামে আয়কর বিভাগে ভুয়াভাবে দেখিয়ে অবৈধ সম্পদ বৈধ করার অপচেষ্টা করেছেন।
অন্যদিকে, দুর্নীতি দমন কমিশনে দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ৪১ লাখ ১৭ হাজার ৬৭১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে কমিশনে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়েছেন কর কর্মকর্তা আবু হাসান মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম ও স্ত্রী লাকী রেজওয়ানা। এছাড়া ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে আয়ের অবৈধ উৎস আড়াল করার উদ্দেশ্যে আয়ের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি, অবস্থান, মালিকানা নিয়ন্ত্রণ করার অসৎ উদ্দেশ্যে স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে তারা ২ কোটি ৬৮ লাখ ২৯ হাজার ৮৭৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories