রিকশাচালক আরজু মিয়া, গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ধোবাউড়া। ঈদের ছুটি কাটিয়ে শনিবার (২৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় পৌঁছেছেন গাজীপুরের টঙ্গীতে। আন্তঃজেলা বাস থেকে নেমে টঙ্গীর ষ্টেশন রোড থেকে যাবেন পাগাড় এলাকায়।
আরজু মিয়া জানান , ঈদের চার দিন আগেই গ্রামে গিয়েছিলেন তিনি। ফিরলেন আজ। কাজের প্রয়োজনে গাজীপুরের টঙ্গী থাকেন। গ্রামে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে কর্মবিরতি ছিল এতদিন।
রাজধানীর উত্তরারয় এসে নামেন আলী হোসেন । ফিরলেন রংপুর থেকে। তিনি জানান, রাজধানীর উত্তরা এলাকায় তিনি দিনমুজুরের কাজ করেন। ঈদের তিন দিন আগে গ্রামে গিয়েছিলেন। ফিরলেন লম্বা ছুটি কাটিয়ে। বাসায় ফিরেই কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে, তাই দাঁড়ানোর ফুরসত নেই। অপরদিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী জলিল মিয়া। আব্দুল্লাহপুর ব্রিজের সামনে আন্তঃজেলা বাস থেকে নেমেই সিএনজি চালিত অটোরিকশার খোঁজ করছেন তিনি।
জলিল মিয়া বলেন, আমাদের বাসা গাজীপুরায়। শ্বশুরবাড়িতে ঈদ করতে গিয়েছিলাম। তাড়াতাড়ি বাসায় যেতে হবে। সময় মতো কাজে যোগ দিতে হবে, আজ থেকে অফিস খোলা।
এ একই সময়ে নগরে প্রবেশ করেছেন গার্মেন্টস কর্মী সীমা, আরজু মনি, কল্পনা, রাবেয়া, সেলিমসহ আরো অনেকে।
এদিন সকালে টঙ্গী, আব্দুল্লাহপুর, উত্তরা, ষ্টেশন রোড,গাজীপুরাসহ বিভিন্ন বাস টার্মিনাল এলাকায় শতশত মানুষের আগমন দেখা যায়। রাজধানী ঢাকা এবংগাজীপুরের প্রধান ‘প্রাণ’ যাদের বলা হয়, সেই পেশাজীবী ও শ্রমজীবী নারী পুরুষের ঢল ছিল সকাল থেকেই।
যাদের বেশিরভাগ আজই কর্মস্থলে যোগ দেবেন। তাই ফিরেছেন সকাল সকাল। কেউ ফিরেছেন একাই, কেউ পরিবার নিয়ে, কেউবা দলবেঁধে।
Leave a Reply